
হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু, ঢাকায় ৩
শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

হামের উপসর্গে ঢাকায় ১০, রাজশাহীতে এক, সিলেটে এক, বরিশালে এক, ময়মনসিংহে দুই ও রংপুরে একজন মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন বলছে, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ১ হাজার ২৯২ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা) হামের উপসর্গে দেশে আরও তিন শিশু মারা গেছে।

হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৯ শিশু মারা গেছে। নিশ্চিত হামে ৩ শিশু এবং উপসর্গে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার কুরুকপাতা ইউনিয়নে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই ১০ শিশুকে আনা হয়। এ নিয়ে কুরুকপাতা ইউনিয়ন থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৩১ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন বলছে, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ১ হাজার ৯ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

টিকাদান কর্মসূচির গাফিলতির কারণে হামে মার্চমাসে ৫৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার রাজনৈতিকীকরণ, জনবলসংকট ও টিকার ঘাটতি পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে। সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহিতে আনতে হবে।

নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১২ শিশু ভর্তি হয়েছে। চলতি বছর এ পর্যন্ত জেলায় ৯৬ জনের শরীরে এর উপসর্গ দেখা দিয়েছে। আইসোলেশন ওয়ার্ডে বর্তমানে ২৮ শিশু চিকিৎসাধীন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশু মারা গেছে, মোট মৃত্যু ৪৯ এবং নতুন আক্রান্ত ১১৫ জন।

ভাবতে একটু অদ্ভুত লাগে; একটি শিশু, যে ঠিকমতো কথাই বলতে পারে না, সে আবার মিথ্যা বলবে কীভাবে! কিন্তু গবেষণা বলছে, শিরোনামের প্রশ্নের উত্তর হলো—‘হ্যাঁ’।

দেশে রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সাত শিশু এবং হামে আক্রান্ত হয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩৪৪ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।