
নারীকে কেন বারবার বলতে হয়, ‘আমিও পারি!’
একজন নারীকে এই সমাজে দুইবার জন্ম নিতে হয়—একবার মানুষ হিসেবে, আরেকবার নিজেকে মানুষ প্রমাণ করার জন্য।

একজন নারীকে এই সমাজে দুইবার জন্ম নিতে হয়—একবার মানুষ হিসেবে, আরেকবার নিজেকে মানুষ প্রমাণ করার জন্য।

বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ হলেও ভৌগোলিকভাবে বৈচিত্র্যময়। এ দেশে যেমন রয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম বিস্তীর্ণ সমভূমির বদ্বীপ, তেমনি এর দক্ষিণ–পূর্ব ও উত্তর–পূর্বাঞ্চল হলো পাহাড়-টিলাবেষ্টিত ভূপ্রকৃতি; আর এই টিলাগুলোর বেশির ভাগই উত্তর–পূর্বাঞ্চল অর্থাৎ সিলেটে, যা একসময় আসামের অংশ ছিল।

একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের গল্প সাধারণত আমরা দেখি বাইরে থেকে—সংখ্যায়, পরিসংখ্যানে, কখনো সাফল্যের ঘোষণায়।

জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ হিসেবে বাংলাদেশে ০-১৭ বছর বয়সী প্রায় ৫ কোটি ৬৯ লাখ শিশু রয়েছে।

ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে, বড় যুদ্ধ শুধু মানচিত্র বদলায় না, যুদ্ধের ধরনও পাল্টে দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখিয়ে দিচ্ছে, আমরা হয়তো এমন এক নতুন যুগে ঢুকে পড়েছি, যেখানে যুদ্ধের পুরোনো নিয়ম আর খাটছে না।

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স।

সরকার বেশি তুলতে গিয়ে কম পেয়েছে, আর বাজারে বৈধ বাণিজ্যও সংকুচিত হয়েছে। এই জায়গাতেই কর্মসংস্থানের ঝুঁকির সূত্রপাত।

কারিনা কায়সার আর নেই। চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর তিনি চলে গেছেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা বোর্ডের একই সিলেবাস অনুযায়ী পাঠদানসহ শিক্ষার যাবতীয় কর্মকাণ্ড সম্পাদন করেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মতো সুবিধা ভোগ করতে পারেন না। আবার বেসরকারি কলেজের শিক্ষকদের মধ্যে এমপিও–নীতির নামে এই বৈষম্য শিক্ষার প্রতি সরকারের নিষ্ঠুর উদাসীনতারই সাক্ষ্য দেয়। জানি না, এমন পৃথিবীর আর কোনো দেশে হয় কি না!

যখন কোনো দেশের ব্যাংকিং খাত রক্তাক্ত হয়, নীতিনির্ধারকদের প্রথম প্রবণতা হয় কারিগরি সমাধানের দিকে হাত বাড়ানো—কঠোর মূলধন পর্যাপ্ততার বিধি, ঋণ শ্রেণীকরণের কড়া মানদণ্ড, নতুন প্রভিশনিং প্রয়োজনীয়তা।

বিএনপির ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান নির্বাচনে সাফল্য এনেছে, কিন্তু বৈষম্য, দুর্নীতি ও বিদেশি চাপের বাস্তবতা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। আইএমএফ-বিশ্বব্যাঙ্কের চাপ অগ্রাহ্য করে সত্যিকারের উন্নয়ন সম্ভব কি? মার্কিন শুল্কচুক্তির মতো বিষয়ে সরকারের অবস্থান জনগণ জানতে চায়।

২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোটরসাইকেলে অগ্রিম আয়কর আরোপের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—এতে কি মালিকদের বছরে দুবার সরকারকে টাকা দিতে হবে? ১১১ সিসি থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণির মোটরসাইকেলে ২ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত করের কথা বলা হচ্ছে। এই নীতি রাজস্ব বাড়াবে কিনা, নাকি নিম্ন-মধ্যবিত্তের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে?