
সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর
শুভ সকাল। আজ দিনের শুরুতেই পড়তে পারেন দেশ-বিদেশের আলোচিত পাঁচ খবর ও বিশ্লেষণ।

শুভ সকাল। আজ দিনের শুরুতেই পড়তে পারেন দেশ-বিদেশের আলোচিত পাঁচ খবর ও বিশ্লেষণ।

ভারত সরকারের ২০১৯ সালের নাগরিকত্ব আইন সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (সিএএ) বুধবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২০৭ আসন জিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, অর্থনৈতিক ব্যর্থতা, ভোটার তালিকা সংশোধন ও ধর্মীয় ইস্যু বিজেপির জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পুরো দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে তাড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি শুভেন্দু অধিকারীকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন এবং উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও দুর্নীতিমুক্ত শাসনের প্রতিশ্রুতি দেন। আর জি কর ও সন্দেশখালী কাণ্ডে কমিশন গঠনের কথাও বলেন।

ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বলেন, বাংলাদেশের নবগঠিত সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্বের পর্যায়ে যোগাযোগ হয়েছে এবং বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় প্ল্যাটফর্মের বৈঠক আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শপথ নেবে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে রয়েছেন।

বিশ্লেষকেরা মনে করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটে হারলেও রাজনীতিতে হার মানবেন না।

বিজেপি ২০৬টিতে হয় জয়ী ঘোষিত, নয়তো এগিয়ে রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এমন আসনসংখ্যা ৮১

বাংলাদেশের পাশে ভারতের রাজ্য ত্রিপুরা ও আসামে বিজেপি ক্ষমতায়, মেঘালয়েও তাদের জোট। এবার পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির শাসন।

আগামী ৫ বছর পশ্চিমবঙ্গ শাসন করার স্বপ্ন এখন মমতার কাছে দুঃস্বপ্ন।

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন শুধু তৃণমূল কংগ্রেস আর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে সাধারণ রাজনৈতিক লড়াই ছিল না। এই নির্বাচন এক অন্যরকম পরিস্থিতির ছবি দেখিয়েছে। এখানে রাজ্যের নির্বাচিত সরকারের শাসক দল তৃণমূলকে একসঙ্গে দু’দিক থেকে লড়তে হয়েছে। দলটির একদিকে আছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। আর অন্যদিকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

এপ্রিল মাসে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়া ভারতের চারটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গই সবচেয়ে জনবহুল। এই রাজ্যের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে ৪ মে। এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতের কেন্দ্রে আসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে।