
যেভাবে রচিত হয় হিজরতের পটভূমি
মুসলমানদের সামনে একটাই পথ খোলা ছিল—নিজেদের আত্মরক্ষা এবং ধর্ম ইসলামের পবিত্রতা বজায় রাখার খাতিরে ধনসম্পদ ও আত্মীয়স্বজন ত্যাগ করে অন্য কোথাও চলে যাওয়া।

মুসলমানদের সামনে একটাই পথ খোলা ছিল—নিজেদের আত্মরক্ষা এবং ধর্ম ইসলামের পবিত্রতা বজায় রাখার খাতিরে ধনসম্পদ ও আত্মীয়স্বজন ত্যাগ করে অন্য কোথাও চলে যাওয়া।

কোরআন ও হাদিসে বারবার তাকওয়া অর্জনের প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। অন্তরে আল্লাহভীতি জাগ্রত করার জন্য ১০ উপায় বিশেষভাবে কার্যকর।

মানুষের ভুলের পথ যতই দীর্ঘ হোক না কেন, তার জন্য ফিরে আসার দরজা সব সময় খোলা। আর সেই ফিরে আসার নামই তওবা।

এই সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক পঙ্কিলতার মধ্যেও যাঁরা নিজেদের চরিত্র ও নৈতিকতা রক্ষা করতে পারেন, তাঁদের জন্য রয়েছে পরকালের পরম সুসংবাদ।

নবাগতের নাম রাখা হয় ‘সালামা’। আর সেই দিন থেকেই আবদুল্লাহ ও হিন্দ দম্পতি আরবের প্রথা অনুযায়ী নতুন কুনিয়াত বা সম্বোধনে পরিচিত হয়ে ওঠেন—‘আবু সালামা’ ও ‘উম্মে সালামা’।

শারীরিক শ্রম ও কষ্টসাধ্য অনেক ইবাদত থেকে ইসলাম প্রতিবন্ধীদের হয় সম্পূর্ণ অব্যাহতি দিয়েছে অথবা সহজ বিকল্প ব্যবস্থা রেখেছে। জুমা ও জামাতের বাধ্যবাধকতা থেকে প্রতিবন্ধীরা মুক্ত।

ইসলামি দাওয়াতের ইতিহাসে হিজরতপূর্ব মদিনা ছিল একটি উর্বর ভূমি, যেখানে ইমানের বীজ বপন করা হয়েছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে।

সাফল্যের সব জাগতিক সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠার পর মানুষের মনে একটিই প্রশ্ন জাগে—‘এরপর কী?’ শুধু বিত্ত-বৈভব বা সামাজিক প্রতিপত্তি মানুষকে প্রকৃত সুখ দিতে পারে না।

একবার একটি ছাগল এসে তাঁর প্রস্তুত করা খাবারের কিছু অংশ খেয়ে ফেললে তিনি স্ত্রীকে ধৈর্য ধরতে বলেন এবং প্রতিবেশীর প্রতি কোনো অভিযোগ না করতে নির্দেশ দেন।

নবম হিজরির সিদ্দিকি হজ ছিল দশম হিজরির বিদায় হজের এক অপরিহার্য প্রস্তুতি। এই হজের মাধ্যমে কাবা শরিফকে শিরক ও জাহেলি আচার থেকে মুক্ত করা হয় এবং হজের বিধানাবলি ঘোষণা করা হয়।

মিতব্যয়িতা মানুষকে মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে রক্ষা করে। যখন কেউ অল্পে তুষ্ট থাকে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যয় করে, তখন আল্লাহ তার বরকতের দুয়ার খুলে দেন।

আধুনিক ও উদার দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই ইসলামি আইন তার মৌলিক মূল্যবোধে অটল থেকেও পরিবর্তনশীল বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।