
জুলাই সনদে সই না করেও ‘হ্যাঁ’ প্রচার—এনসিপির অবস্থান কী?
জুলাই জাতীয় সনদে সই না করলেও ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারে নামছে এনসিপি। এ জন্য ২৭০ আসনে ‘অ্যাম্বাসেডর’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত।

জুলাই জাতীয় সনদে সই না করলেও ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারে নামছে এনসিপি। এ জন্য ২৭০ আসনে ‘অ্যাম্বাসেডর’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত।

একটি আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদাকে হারিয়ে দিয়েছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান। স্বতন্ত্র পরিচয়ে তিনি হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের দুটি ভোট। প্রথম ভোটটা হবে গণভোট। গণভোটে “হ্যাঁ” মানে আজাদি, “না” মানে গোলামি। তাহলে ১২ তারিখে ইনশা আল্লাহ সমস্ত মানুষকে নিয়ে আমরা “হ্যাঁ” ভোটের পাল্লা তুলব।’

প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।

সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের সড়কের এক পাশে অবস্থিত রাজধানী উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই অভিযোগ করেন।

হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু ও আহমেদ আযম খান, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু) জয়ের পথে আছেন তিনি।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলেছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন। তবে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর পক্ষে বা ‘না’–এর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণকে কোনোভাবে আহ্বান জানাতে পারবেন না।

জনসভায় ডামুড্যা উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত হন। তাঁরা প্রত্যেকে নুরুদ্দিন আহাম্মেদকে সমর্থন জানিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চান।

গণভোট প্রচারে কোটি টাকা: বিতর্কে ছাত্র আন্দোলন