
বাকিতে এলপিজি আমদানির সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যবসায়ীরা এখন থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে বা ঋণে এই গ্যাস আমদানির সুযোগ পাবেন।

ব্যবসায়ীরা এখন থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে বা ঋণে এই গ্যাস আমদানির সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক আজ বুধবার এই সুযোগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

অর্থনীতি ও ব্যবসা–বাণিজ্যে সংকটে থাকলেও গত বছর ব্যাংকের আয় বাড়তে থাকে। ঋণ বিতরণ কম হলেও ব্যাংকগুলো সরকারি বিল-বন্ডে বিনিয়োগ করে। নির্বাচনের আগে ব্যাপক হারে ঋণ পুনঃ তফসিলের সুযোগ বাড়তি আয় দিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতির আলোচনায় একটি মৌলিক প্রশ্ন ঘুরেফিরে আসছে—আর কোনো দিন কি খেলাপি ঋণের লাগাম টানা যাবে?

সিকদার গ্রুপের উত্থান ও পতন যেভাবে

গত এপ্রিলে দেশি–বিদেশি ব্যাংকগুলো ৬৭৯ কোটি ডলারের আমদানি ঋণপত্র খুলেছে এবং ৬৫১ কোটি ডলারের নিষ্পত্তি করেছে। আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ পাঁচে ব্র্যাক ব্যাংক, এইচএসবিসি, দি সিটি ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক ও এসসিবি। এর মধ্যে তিনটি দেশি এবং দুটি বিদেশি ব্যাংক।

রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের সময় বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিলেও তাদের ভেতরে সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য প্রকৃত নেতৃত্ব বা অঙ্গীকার কতটা আছে, তা স্পষ্ট নয় বলে মনে করেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান।

দেশি অটোমোবাইল শিল্পের বিকাশের স্বার্থে বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ির পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গাড়ি কিনতে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত অটো লোন (গাড়ি ঋণ) দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিমালায় ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা দ্বিগুণ করে ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে। সুদের হার সীমিত করে ২৫ শতাংশে আটকানো হয়েছে এবং আদায়প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশে সক্রিয় কার্ড ১৮ লাখ ৯৭ হাজার।

ইস্টার্ন ব্যাংকের ওমেন ব্যাংকিংয়ে নারীরা ফ্ল্যাট-বাড়ির জন্য ৫ লাখ থেকে ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত হোম লোন এবং গাড়ির জন্য ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত অটো লোন পাবেন। জামানতবিহীন বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক ঋণসহ সঞ্চয়, কার্ড ও প্রশিক্ষণ সেবা রয়েছে। ব্যাংকটি ২০১৮ থেকে নারী ক্ষমতায়নে কাজ করে চলেছে।

এই সুবিধা শুধু এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। অন্য কোনো পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে একক ঋণগ্রহীতা সীমা অতিক্রমের সুযোগ থাকছে না।

বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে ৪ দশমিক ৭২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ২০০৩ সালের পর সর্বনিম্ন।