
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের আলোচনায় নজর রেখেছে ভারত
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর ও দুই দেশের সম্পর্কের গতিপথের ওপর নজর রেখেছে ভারত।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর ও দুই দেশের সম্পর্কের গতিপথের ওপর নজর রেখেছে ভারত।

সেনাপ্রধান গত ২৮ জুন এই সরকারি সফরে গিয়েছিলেন।

‘শুধু বাংলাদেশ নয়, আমাদের বৈদেশিক নীতি হলো চীন যেকোনো দেশে অন্য যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপের ঘোর বিরোধী,’ বলেছেন তিনি।

বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ মাস হতে চলল। নির্বাচনের আগে থেকেই বিএনপি সব ক্ষেত্রেই ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি গ্রহণের কথা বলেছিল।

সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া হয়ে চীন সফর করে এলেন। তিনি মালয়েশিয়া গেলেও মানুষের আগ্রহ ছিল মূলত তাঁর চীন সফরকে ঘিরে। কয়েক দিন ধরে আমাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে সংবাদমাধ্যম এবং জনপরিসরের এক বড় আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল এই সফর থেকে বাংলাদেশ কতটা প্রাপ্তি নিয়ে ফিরে আসতে পারে। যে কারণে এই সফর ঘিরে মিডিয়া হাইপও অনেক বেশি ছিল।

সফরকালে দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীপ্রধানের চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়ার প্রতিরক্ষাসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরিকল্পনা রয়েছে।

চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডরের প্রস্তাব সি চিন পিংয়ের। তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তায় আগ্রহী চীন।

চীন ও মালয়েশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানকে বিদায় জানান চীনের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ইউয়ে শিয়াওইয়ং। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী গাড়ি থেকে নেমে লালগালিচায় হেঁটে উড়োজাহাজে ওঠেন।

রাষ্ট্রীয় এ আনুষ্ঠানিকতায় বাংলাদেশ ও চীনের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। বিউগলে শ্রদ্ধার সুর বাজানো হয়।

চীন সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ শুক্রবার বিকেলে বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

গ্রেট হল অব পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লালগালিচা সংবর্ধনা। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীদের আনুষ্ঠানিক বৈঠক।