
বিশ্বকাপের উন্মাদনা: ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার বাইরে আমাদের শেখার কী আছে?
বিশ্বকাপের শিরোপা শেষ পর্যন্ত একটি দলই জিতবে। কিন্তু ফুটবলের প্রকৃত জয় তখনই হবে, যখন এই উৎসব আমাদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহনশীলতা, শৃঙ্খলা এবং উন্নত ক্রীড়া সংস্কৃতির বীজ বপন করবে।

বিশ্বকাপের শিরোপা শেষ পর্যন্ত একটি দলই জিতবে। কিন্তু ফুটবলের প্রকৃত জয় তখনই হবে, যখন এই উৎসব আমাদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহনশীলতা, শৃঙ্খলা এবং উন্নত ক্রীড়া সংস্কৃতির বীজ বপন করবে।

আর্জেন্টাইন এই কোচের ফুটবল দর্শনের দুই গুরু—কিংবদন্তি মার্সেলো বিয়েলসা ও হোর্হে সাম্পাওলি। বিয়েলসার প্রতি ভক্তি এতটাই যে নিজের শরীরে তাঁর ট্যাটুও করিয়েছেন।

অপুষ্টিতে ভোগা দিয়াজ শৈশবে এমনই তালপাতার সেপাই ছিলেন যে কোচরা বলতেন, এই ছেলেকে দিয়ে ফুটবল হবে না।

২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচের আগে ফিরে দেখা যাক, কাতার থেকে উত্তর আমেরিকা—এই চার বছরে ব্রাজিল ফুটবলের গল্পটা কেমন ছিল।

২০২৬ বিশ্বকাপে ইরানের সম্মান নিশ্চিত করতে এফএফআইআরআই প্রধান মেহদি তাজ ফিফা সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করবেন। কানাডা তাঁকে প্রবেশাধিকার দেনি আইআরজিসি-সম্পৃক্ততার অভিযোগে। ‘জি’ গ্রুপে ১৫ জুন নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে প্রথম ম্যাচ।

বিশ্ব ফুটবলে ব্রাজিল শুধু একটা দল নয়। একটা বিশ্বাস—হলুদ-সবুজ জার্সি পরলে কিছু একটা ঘটে। সৌন্দর্য ছড়ায়। যে ফুটবল খেলে পেলে ও গারিঞ্চারা পৃথিবীকে থমকে দিতেন।

বিশ্বকাপেই কোনো গোল ছিল না তাঁর। নিজের চতুর্থ বিশ্বকাপে অবশেষে পেলেন প্রথম গোল।

বিশ্বকাপ কে জিতবে—এই প্রশ্নের উত্তর আশা করে যদি এই লেখা পড়তে শুরু করে থাকেন, তাহলে আর না এগোনোই ভালো।

যুক্তরাষ্ট্রের শহরে শহরে কোনো ভিড় নেই। হোটেলগুলোও বাড়তি আয় আশা করতে পারছে না। হাজার হাজার টিকি অবিক্রীত থেকে গেছে। কেন এমনটা হলো?

ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর মুখে ‘খেলার বিশুদ্ধতা’ এবং রাজনীতি থেকে এর দূরত্বের কথা আমরা যতই শুনি না কেন, ফুটবল যে স্রেফ কোনো খেলা নয়, তা স্পষ্ট।

গত দুই ম্যাচের অস্থিরতা, স্নায়ুচাপ ও কৌশলগত ভুলত্রুটি সামলে আজ শুরু থেকেই ব্রাজিল ছিল পরিণত, শান্ত ও মনোযোগী। যার ফলও তারা পেয়েছে দারুণভাবে।

একবার কল্পনা করুন তো,বিশ্বকাপে খেলতে পারা যাদের জীবনে সবচেয়ে বড় উৎসবগুলোর একটি, সেই দেশের অধিকাংশ মানুষ টিভিতে আপনার বীরত্ব দেখছে।