
মাফিয়াতন্ত্র নির্মূল করা এখন সরকারের বড় পরীক্ষা
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিআরআইয়ের সেমিনারে বলা হয়, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল ও টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে নিতে হলে শুধু চাহিদা বাড়ানোই নয়, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন করাও জরুরি।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিআরআইয়ের সেমিনারে বলা হয়, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল ও টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে নিতে হলে শুধু চাহিদা বাড়ানোই নয়, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন করাও জরুরি।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে হলে রপ্তানিতে একক পণ্য ও একক বাজারনির্ভরতা কাটিয়ে ওঠাটা জরুরি।

এডিবি বলছে, বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থায় ব্যাংক খাত প্রধান হলেও দীর্ঘদিনের দুর্বল শাসনব্যবস্থা, অপর্যাপ্ত তদারকি ও মূলধনের ঘাটতি এ খাতে সেবা দিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যদি যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হয় এবং আরও অনেক দেশ এতে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার আরও কমতে পারে।

আজ সোমবার ‘বেসরকারি খাতনির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পুনরুজ্জীবন: নতুন সরকারের সামনে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ কথা বলা হয়েছে।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার যৌথভাবে এ গোলটেবিল আয়োজন করে।

অর্থনীতিবিদদের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন—অনানুষ্ঠানিক ও অবৈধ অর্থপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর অগ্রগতি না এলে দৃশ্যমান প্রবৃদ্ধির স্থায়িত্ব ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

জনগণের একটি অংশ বিশ্বাস করে যে বিএনপি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সক্ষম। এই আস্থার পেছনে রয়েছে অতীত অভিজ্ঞতা।

গত রাজনৈতিক সরকারের আমলে দেশের অর্থনৈতিক সাফল্যের যে গল্প শুনেছি আমরা, সেটি দাঁড়িয়ে ছিল এক নড়বড়ে ভিত্তির ওপর। প্রবৃদ্ধির চটকদার শিরোনামের আড়ালে চাপা পড়েছিল অর্থনীতির গভীর কাঠামোগত দুর্বলতা।

ভবিষ্যৎ ব্যবসা সূচকের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, কৃষি, শিল্প, নির্মাণ ও সেবা—অর্থনীতির চারটি প্রধান খাতেই প্রবৃদ্ধির গতি আগের তুলনায় কমেছে।

সভায় বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ী ও মানুষের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে না আনা গেলে প্রবৃদ্ধির গতি বাড়বে না।