
খুদে উদ্ভাবকদের প্রতিযোগিতায় কৃষি থেকে মহাকাশের স্বপ্ন
আগামীকাল সোমবার হবে চূড়ান্ত প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ। তার আগে আজ রোববার চলছে প্রদর্শনী ও বিচার কার্যক্রম।

আগামীকাল সোমবার হবে চূড়ান্ত প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ। তার আগে আজ রোববার চলছে প্রদর্শনী ও বিচার কার্যক্রম।

‘পোড়ামাটির রূপবৈচিত্র্য’ শীর্ষক এ প্রদর্শনী চলছে ধানমন্ডির আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার লা গ্যালারিতে। ১৮ মে শুরু হয়েছে প্রদর্শনী, চলবে আজ শুক্রবার পর্যন্ত।

ইফ্ফাত আরা দেওয়ানের ১৯৯৭ সালের ‘অপরাজিতা’ চিত্রকে কেন্দ্র করে শিল্পাঙ্গনের আয়োজনে গ্যালারি দ্য ইলিউশনসে চলছে প্রদর্শনী। ১৯৯৭ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অঙ্কিত শিল্পকর্মগুলোতে সরলতা, শূন্যতা ও অন্তর্মুখী অনুভূতির প্রতিফলন ঘটেছে। প্রদর্শনী ১ মে থেকে ১৬ মে ২০২৬ পর্যন্ত খোলা।

চিত্রশিল্পী সুপর্ণা এলিস গমেজের প্রথম একক প্রদর্শনী ‘কল্পনার রাজ্যে দগ্ধ অভিব্যক্তি’ শুরু হয়েছে ধানমন্ডির সফিউদ্দীন শিল্পালয়ে। জলরং, অ্যাক্রিলিক ও কফি রংয়ে আঁকা ৫৯টি ছবিতে তৃষ্ণার্ত কাক, ফড়িং, জবা ফুলসহ দগ্ধ অভিব্যক্তি ফুটে উঠেছে। প্রদর্শনী চলবে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত।

সেই অর্থে এই প্রদর্শনীকে বলা যায় জাগতিক ও মহাজাগতিকের মধ্যে এক সৃজনশীল সেতুবন্ধের শিল্পভাষা। রাজধানীর সফিউদ্দিন শিল্পালয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী শিল্পগুরু সফিউদ্দিন আহমেদের ১০৪তম জন্মবার্ষিকীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য। তবে এই শ্রদ্ধা নিছক আনুষ্ঠানিক নয়; বরং একজন শিল্পীর আত্ম–অনুসন্ধানী যাত্রার মধ্য দিয়ে আরেক শিল্পগুরুকে স্মরণ। গত ২৬ জুন শুরু হওয়া প্রদর্শনীটি ৫ জুলাই পর্যন্ত দর্শকদের জন্য খোলা থাকবে।

স্থপতি দম্পতি সায়কা ইকবাল মেঘনা ও শুভ্র শোভন চৌধুরীর এই যৌথ স্থাপত্যের প্রদর্শনী চলবে আগামী ২৫ জুলাই পর্যন্ত।

‘ভূমি গ্যালারি’র উদ্বোধনী প্রদর্শনীর সাফল্যের পর, এবার তিন প্রজন্মের ১০ শিল্পীর সমসাময়িক কালে আঁকা চিত্রকর্ম নিয়ে ‘পারসিসটেন্স’ অর্থাৎ ‘সংকল্প’ নামে বিশেষ একটি চিত্রকর্ম প্রদর্শনী শুরু হয়েছে ১৯ জুন শুক্রবার। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আগে ও পরের অর্থাৎ গত শতকের সত্তর ও আশির দশকের আটজন স্বনামধন্য চিত্রশিল্পীর সঙ্গে এ শতকের শূন্য ও ১০ দশকের অপেক্ষাকৃত তরুণ দুজন শিল্পীও এ প্রদর্শনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এই দুই শিল্পী সহিদ কাজী ও আবদুল্লাহ আল বশীর।

দাগি আর্ট গ্যারেজে শেষ হলো অনিন্দিতা অনির ‘পাথরে আঁকা নারীজীবন’ শীর্ষক প্রথম একক প্রদর্শনী।

অনিন্দিতা অনির এই প্রদর্শনী তাই কেবল নারীর গল্প নয়; এটি স্মৃতি, সময়, শরীর, সম্পর্ক ও অস্তিত্বের এক দীর্ঘ যাত্রার দৃশ্যরূপ। পাথরের নীরবতার ভেতর তিনি শুনিয়েছেন নারীর বহু উচ্চারিত ও অনুচ্চারিত কাহিনি। আর সেই কাহিনি পড়তে পড়তে দর্শকের মনে হয়—এ যেন রংতুলিতে লেখা এক উপন্যাস, যার প্রতিটি অধ্যায় একটি পাথর, আর প্রতিটি পাথরের ভেতর লুকিয়ে আছে এক একটি জীবন।

‘আনফ্যামিলিয়ার অ্যাফিনিটি’ শিরোনামের এই একক প্রদর্শনী শেষ পর্যন্ত পরিচয় সম্পর্কে কোনো প্রস্তুত বক্তব্য দেয় না। বরং আত্মীয়তা, দূরত্ব, স্মৃতি, শরীর ও প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কের ধারণাগুলোকে নতুনভাবে ভাবার সুযোগ তৈরি করে। রাগা রহমানের আগ্রহ শিকড় খুঁজে পাওয়ার মধ্যে নয়; বরং শিকড় সম্পর্কে প্রচলিত ধারণাগুলোকে প্রশ্ন করার মধ্যে। প্রদর্শনীটির গুরুত্বও সম্ভবত সেখানেই।

বিশ্বের ৬৮টি দেশ থেকে ২ হাজার ৩০০ প্রদর্শক অংশ নিয়েছে। ১৬ জুন পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে।

রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত গ্যালারি কায়ার ২২তম বার্ষিক প্রদর্শনী ২৬ জুন পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত।