
৪০-এর পরও রোজ ডিম খাওয়া কি নিরাপদ?
৪০ বছর পার হওয়া সত্ত্বেও রোজ একটা ডিম খাওয়া নিরাপদ বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ডিমের পুষ্টি সব বয়সের জন্য দরকারি এবং কোলেস্টেরলের ভয় অযথা। তবে নির্দিষ্ট রোগে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

৪০ বছর পার হওয়া সত্ত্বেও রোজ একটা ডিম খাওয়া নিরাপদ বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ডিমের পুষ্টি সব বয়সের জন্য দরকারি এবং কোলেস্টেরলের ভয় অযথা। তবে নির্দিষ্ট রোগে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

৯ মাস বয়স পূর্ণ না হওয়া শিশুরাও হামে আক্রান্ত হচ্ছে। হামের টিকা ৯ মাস পর দেওয়া হয়, তবে ছোট শিশুদের সুরক্ষায় হাত ধোয়া, বাড়িতে রাখা, পুষ্টি ও ভিটামিন এ নিয়ে সতর্ক থাকুন। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন।

শজনেডাঁটা ও পাতা পুষ্টিগুণে ভরপুর, অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ এবং হাড়, চোখ ও ওজন নিয়ন্ত্রণে উপকারী। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের তথ্য অনুসারে এতে প্রোটিন, আঁশ ও ভিটামিনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। গর্ভবতী নারী, ওষুধসেবনকারী এবং অ্যালার্জিপ্রবণ ব্যক্তিরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে। টিকাদানে ঘাটতি, ঘনবসতি এবং অপুষ্টি এর প্রধান কারণ। হাসপাতালে শিশুদের ভিড় বাড়ছে।

জিনিয়া তাসনিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। সুইডেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভেরিফিকেশন ফি’ তাঁর বিদেশে উচ্চশিক্ষার পথে কাঁটা হয়ে এসেছে।

বিলাসিতা নয়, বরং যা পাওয়া যেত তা দিয়েই তিনি তৃপ্ত হতেন। তাঁর প্রিয় খাবারগুলোর মধ্যে এমন কিছু খাদ্য ছিল, যা আজও পুষ্টিবিজ্ঞানে অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে স্বীকৃত।

সালাদের কাঁচা সবজি, পাতা ও ফলমূল থেকে আপনি পাবেন আঁশ। আরও পাবেন নানা রকম ভিটামিন আর খনিজ উপাদান।

অনেকেরই দিনে অধিক মাত্রায় চা–কফি খান, গরমকালে এই অভ্যাস বাদ দিন। বেশি চা–কফি গ্রহণে শরীরের তাপমাত্রা আরও বেড়ে যেতে পারে।

নবীজি (সা.) খেজুরকে কেবল দস্তরখানের সৌন্দর্য হিসেবে দেখেননি, একে ক্ষুধা নিবারণ ও শরীরে দ্রুত শক্তি জোগানোর প্রধান উৎস হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ইউটিউবে ব্লগ বা ফেসবুক রিলে এমন তথ্য দেখা যায় যে ক্যালসিয়াম বা বিশেষ কিছু পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হলেই তৈরি হয় আইসক্রিম ক্রেভিং। আসলেই কি তা ঠিক?

খুদে পানার মতো একধরনের জলজ ফার্ন হলো অ্যাজোলা। চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের কৃষকদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই অ্যাজোলার ব্যবহার। কেউ ধানি জমিতে অ্যাজোলা ব্যবহার করছেন সার হিসেবে, কেউ আবার পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবার হিসেবে খাওয়াচ্ছেন গবাদিপশু, মাছ ও হাঁস-মুরগিকে।

অতিরিক্ত চিনিযুক্ত শরবত বা বাজারের রঙিন পানীয়র বদলে লেবুপানি বা চিনি ছাড়া তাজা ফলের রস বেছে নিন।