
চৈত্রবন্দনা :: গোলাম শফিক
বাংলায় চৈত্রে ফোটে পলাশ, শিমুল, অশোক, মাধবী, বকুল, গাব, নাগেশ্বর, মহুয়া, মাদার, করঞ্জা, শিরীষ, আর জীবনানন্দের ‘ভাটফুল’

বাংলায় চৈত্রে ফোটে পলাশ, শিমুল, অশোক, মাধবী, বকুল, গাব, নাগেশ্বর, মহুয়া, মাদার, করঞ্জা, শিরীষ, আর জীবনানন্দের ‘ভাটফুল’

১৯৭১ সালের প্রত্যেক শরণার্থীই ছিল একেকজন মুক্তিযোদ্ধা। তারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেনি; কিন্তু বিশ্বজনমত গঠন করতে সহযোগিতা করেছে।

জনপরিসর, যোগাযোগমূলক ক্রিয়া এবং আধুনিকতার অসম্পূর্ণ প্রকল্প—এই ধারণাগুলোর মধ্য দিয়ে তিনি দেখিয়েছেন যে ন্যয়সংগত ও মানবিক সমাজ নির্মাণের সম্ভাবনা এখনো শেষ হয়ে যায়নি।

ফেসবুক আর ইউটিউবের কালে আমরা এখন প্রত্যেকে লেখক এবং প্রত্যেকে বক্তা ও নির্মাতায় পরিণত হয়েছি। তাতে মতপ্রকাশের সুযোগ উন্মুক্ত হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। কিন্তু তার উল্টো পিঠে কুন্ডেরার দুঃস্বপ্ন লুকানো।

ইসলাম খান চিশতীকে ১৬০৮ সালে (সম্ভবত মে মাসে) বাংলার সুবেদার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সেই পরিক্রমায় তিনি রাজমহল হয়ে ঢাকায় পৌঁছাতে সময় নেন দুটি বর্ষাকাল।

নারীবাদীদের মতে, নারীর ঐতিহাসিক পরাজয়ের ওপর দাঁড়িয়ে আছে আজকের এই সভ্যতা, টিকে আছে নারীকে অবমূল্যায়ন করে, অধীনস্থ করে, প্রান্তিকীকরণের মধ্য দিয়ে।

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মাধবীর পরবর্তী এক শতকের ভেতরে আরেকটি উজ্জ্বল নারী কবির নাম পাই আমরা—চন্দ্রাবতী।

গত শতাব্দীর চিত্রশিল্পীরা বইয়ের প্রচ্ছদ ও অলংকরণে প্রারম্ভিক অংশ, বইয়ের বিষয়বস্তু বা বডি ম্যাটার দেখে নিতেন।

পাকিস্তান রাষ্ট্রের সূচনাপর্বে ‘বাঙালি মুসলমান’ একক শব্দ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও নতুন আরেক বাইনারি তৈরি হয়।

ম্রোদের ভাষা আজ বিপন্ন। বান্দরবানে এই জাতিগোষ্ঠীর ‘রেংমিটচ্য’ ভাষায় কথা বলতে পারাদের মধ্যে জীবিত রয়েছেন মাত্র কয়েকজন

তিনি বাংলায় কোম্পানির সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী কর্মচারী ছিলেন। ১৬৯২ সালে স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি স্ত্রীকে হিন্দুরীতি অনুযায়ী না পুড়িয়ে কবরস্থ করেন।

আমলাতন্ত্র ও পুলিশি ভাষা, রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ভাষা—সবই ঐতিহাসিক উত্তরাধিকারকে প্রভাবিত করেছে। কবিতা, স্লোগান, ব্যঙ্গ—সব সময় ভাষার রাজনীতিকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ করেছে।