
ক্ষমতার তিন মাথা ভাঙার পথ কী
গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন ও অবকাঠামোগত অর্জনে এক বিস্ময়কর পথ পাড়ি দিয়েছে।

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন ও অবকাঠামোগত অর্জনে এক বিস্ময়কর পথ পাড়ি দিয়েছে।

মদনপুরের দুর্গম চরে বসবাস করলেও স্বপ্নে আকাশ ছুঁতে চায় সানজিদা আক্তার। সানজিদা মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত মদনপুর আলোর পাঠশালার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। দারিদ্র্য, যোগাযোগের প্রতিকূলতা ও

বাংলাদেশ গত দুই দশকে দারিদ্র্য হ্রাসে অগ্রগতি অর্জন করলেও চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে।

সর্বশেষ ২০০৪ সালে দক্ষিণ সুরমার সিলাম ইউনিয়নে দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান শ্বশুরবাড়িতে প্রথমবারের মতো যান।

জাকাত, সাদাকা, ওয়াক্ফ এবং কর্জে হাসানার প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে ‘গিভিং গ্রেস ফাউন্ডেশন’।

নদীর ঢেউ আর চরম দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে বড় হওয়া এক অদম্য কিশোর মো. আশরাফুল ইসলাম। লক্ষ্য তার একটাই— বড় হয়ে পেশাদার ফুটবলার হওয়া এবং বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকাকে তুলে ধরা।

নানা সংকট আর চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে উঠেও সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে এক কিশোরী। তার নাম তহমিনা আক্তার। সে কুড়িগ্রামের দুর্গম চর কুমরেরবসের বাসিন্দা এবং স্থানীয় মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালার অষ্টম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী।

তামিম কোটচাঁদপুর উপজেলার সাব্দালপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়ছে। জন্মের এক সপ্তাহ পরই তামিমের ডান পা ভেঙে যায়।

চিকিৎসার অভাবে অকালেই চলে গেছেন মা। বাবাও নিয়েছেন নতুন সংসার, খোঁজ রাখেন না জমজ দুই ভাই-বোনের। কিন্তু সব প্রতিকূলতা আর চরম দারিদ্র্যকে জয় করে এগিয়ে চলেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার অজপাড়াগাঁয়ের এক কিশোরী।

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে দিনমজুর ওমেদ আলীর একমাত্র মেয়ে রুবিনা খাতুন বাবার স্বপ্ন বুনে লড়াই করছে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে। বিদ্যুৎ দুর্ঘটনায় বাবা হারিয়ে গেলেও আইনজীবী হয়ে ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর স্বপ্ন ত্যাগ করেনি সে। মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালায় অষ্টম শ্রেণির এই মেধাবী ছাত্রী শিক্ষকদের সহায়তায় পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে।

সানেম আয়োজিত তিন দিনের অর্থনীতিবিদ সম্মেলনের সমাপনী দিনে আজ রোববার এ গবেষণার তথ্য উপস্থাপন করা হয়। গবেষণাটি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহতাব উদ্দিন।

রাজশাহীর সাধারণ পরিবারের রিশাদ আহম্মেদ আরশ দারিদ্র্যের মধ্যে পড়াশোনা চালিয়ে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখে। মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের সহায়তায় তার শিক্ষা অব্যাহত রয়েছে। সে অসহায় মানুষের সেবা করতে আকাঙক্ষিত।