
দোহায় বৈঠক নিয়ে ট্রাম্প বলছেন এক কথা, ইরানের ভিন্ন সুর
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, তেহরানের অনুরোধে দোহায় এ বৈঠক হতে যাচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, তেহরানের অনুরোধে দোহায় এ বৈঠক হতে যাচ্ছে।

ইরাক সফরে গিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী আগামী ৩০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে তেহরানের একক নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত বন্ধের লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ডে গত রোববার দুপক্ষের মধ্যে প্রথম দফার বৈঠক শুরু হয়।

তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও লেবাননে ইসরায়েলের হামলার কারণে এর আগে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা তেহরানে ৪ জুলাই হবে এবং ৯ জুলাই মাশহাদে দাফন হবে।

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকের খসড়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

সাম্প্রতিকতম মার্কিন হামলাগুলোর কয়েকটি দক্ষিণ ইরানে ও দৃশ্যত হরমুজ প্রণালির ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।

ইরান বারবার ইঙ্গিত দিয়েছে, তেহরানের জব্দ থাকা সম্পদের অন্তত একাংশ অবমুক্ত না হলে চুক্তি না–ও হতে পারে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি।

ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ হয়তো ইরান–সংক্রান্ত তাঁর কূটনৈতিক উদ্যোগকে টিকিয়ে রেখেছে, তবে ইসরায়েল হিজবুল্লাহর শক্তি দমনে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখলে লেবানন সংকট সব সময়ই উত্তপ্ত হয়ে ওঠার এবং তেহরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনাকে ব্যাহত করার ঝুঁকি তৈরি করবে।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।

সপ্তাহের শুরুতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরস্পরবিরোধী বার্তার কারণে বিনিয়োগকারীরা এখনো স্থায়ী সমাধান কী হবে, সে বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে আছেন।