
সোহেল চৌধুরী-দোয়েলের পর চলে গেলেন ‘দুঃখ নেই’ নির্মাতা
‘দুঃখ নেই’ সিনেমার জন্য পরিচিতি পান মীর আব্দুল রাজ্জাক। ১৯৯০ সালে মুক্তি পাওয়া এ ছবিতে অভিনয় করেন সোহেল চৌধুরী, দোয়েল, আনোয়ার হোসেন, আনোয়ারা প্রমুখ।

‘দুঃখ নেই’ সিনেমার জন্য পরিচিতি পান মীর আব্দুল রাজ্জাক। ১৯৯০ সালে মুক্তি পাওয়া এ ছবিতে অভিনয় করেন সোহেল চৌধুরী, দোয়েল, আনোয়ার হোসেন, আনোয়ারা প্রমুখ।

সংস্কৃতি বিষয়ে নতুন সরকারের কাছে টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, সংগীত ও নাট্যাঙ্গনের মানুষদের অনেক প্রত্যাশা। তাঁরা চান—স্বচ্ছ নীতি, স্বাধীন কর্মপরিবেশ আর যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন।

পর্দার অ্যাকশন নায়ক মান্না ব্যক্তিজীবনে ছিলেন একেবারেই ভিন্ন—একজন স্নেহশীল বাবা, ভালোবাসায় ভরা স্বামী এবং পরিবারপ্রেমী মানুষ।

ঢাকাই ছবির অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সরব। কাজের খবর থেকে শুরু করে নিয়মিতই পোস্ট করেন দিনযাপনের ছবি।

তখন মান্নার একক আধিপত্য ছিল। দর্শকপ্রিয় ছিলেন প্রয়াত মান্না। তাঁর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ওপরে ওঠা যেকোনো নায়কের জন্যই কঠিন সময় ছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের আয়োজনে এ বছরের উৎসব শুরু হয়েছে ৩ ফেব্রুয়ারি, চলবে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। বুধবার ছিল উৎসবের দ্বিতীয় দিন।

শাবনাজ–নাইম এখন শ্বশুর–শাশুড়ি

সুমন মুখার্জি পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’-তে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তিনি এ স্বীকৃতি অর্জন করেন।

সিনেমা মানেই আলাদা এক অনুভূতির নাম। বেশির ভাগ সিনেমাই দর্শকের হৃদয়ে গেঁথে আছে। তারপরও দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে নিয়মিতভাবে দেখানো হয় তাঁর অভিনীত সিনেমা।

ষাটের দশকে নৃত্য পরিচালক হিসেবে রুপালি জগতে যাত্রা শুরু করেন ইলিয়াস জাভেদ। কায়সার পাশা পরিচালিত উর্দু সিনেমা ‘মালান’-এ প্রথম নৃত্য পরিচালনার সুযোগ পান তিনি।

ছোট পর্দা, ওটিটির পর বড় পর্দায় অভিষেক হতে যাচ্ছে সাদনিমার। শোনা যাচ্ছে, মেহেদী হাসানের ‘রাক্ষস’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় নাম লিখিয়েছেন তিনি।

ষাটের দশকে নৃত্য পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন ইলিয়াস জাভেদ। কায়সার পাশা পরিচালিত উর্দু সিনেমা ‘মালান’–এ প্রথম নৃত্য পরিচালনার সুযোগ পান তিনি।