
গুড মর্নিং বাংলাদেশ
গুড মর্নিং বাংলাদেশ। এটি কেবল একটি শুভেচ্ছা নয়। এটি একটি আহ্বান। জেগে ওঠার, প্রশ্ন করার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান।

গুড মর্নিং বাংলাদেশ। এটি কেবল একটি শুভেচ্ছা নয়। এটি একটি আহ্বান। জেগে ওঠার, প্রশ্ন করার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান।

বর্তমানে দেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কারাগারে ধুঁকছে বলে উল্লেখ করেছেন অধ্যাপক রেহমান সোবহান।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

দেশে ধর্মীয় চরমপন্থা চর্চার ক্ষেত্র প্রসারিত হচ্ছে। অনলাইন-অফলাইন উভয় স্পেসে এখন তা দৃশ্যমান। চরমপন্থী চিন্তার প্রবাহ স্বাভাবিক হয়ে উঠছে।

পার্লামেন্ট বা সংসদ একেক দেশে একেকভাবে কাজ করে। কোথাও তা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে, কোথাও স্বৈরশাসনকে টিকিয়ে রাখে।

নির্বাচন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেছেন, উদারপন্থী গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। ১৮ কোটি মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ।

এমন পরিস্থিতিতে অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি দলের কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠার ঝুঁকি তৈরি হয়। আমরা আশা করব, শুরু থেকেই বিএনপি এই ঝুঁকির ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে।

মাইক থেকে মুঠোফোন: বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রচারণার বিবর্তন ঘটছে যেভাবে

বিএনপি ল্যান্ডস্লাইড জয় পাবে: মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের ধরন হলো ‘ক্যাচ অল’, অর্থাৎ দলগুলোর চেষ্টা থাকে সমাজের সব শ্রেণির প্রতিনিধিত্ব করার। এদের আদর্শিক অবস্থান ছিল মূলত মধ্য ডানপন্থী, শুধু জামায়াতে ইসলামী ছিল ডানপন্থী।

বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, ঐকমত্য কমিশনে তিনি সুজন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন। কমিশন গঠনের ব্যাপারে তাঁদের কোনো ভূমিকা ছিল না।

বাংলাদেশে সংঘতন্ত্র যেভাবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে সংঘতান্ত্রিক শাসন নিয়ে আসতে চাইছে, তা বাইরের দিক থেকে দেখলে গণতান্ত্রিক বলে মনে হলেও এর মাধ্যমে জনমনস্তত্ত্বে একটি অগণতান্ত্রিক ভাবাদর্শের চাষাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে।