
সভ্যতা রক্ষা ও বিপর্যয় রোধে কোরআনের অনন্য দর্শন
কোরআনের বারবার তাগিদ দেওয়া আল্লাহর পক্ষ থেকে এক জোরালো ইঙ্গিত ছিল যে, ভবিষ্যতে মুসলমানরা উন্নত ও সুসভ্য জাতিসমূহের সংস্পর্শে আসবে। বাস্তব চিত্রও তা-ই ছিল।

কোরআনের বারবার তাগিদ দেওয়া আল্লাহর পক্ষ থেকে এক জোরালো ইঙ্গিত ছিল যে, ভবিষ্যতে মুসলমানরা উন্নত ও সুসভ্য জাতিসমূহের সংস্পর্শে আসবে। বাস্তব চিত্রও তা-ই ছিল।

এই গুণের অধিকারী ব্যক্তি শুধু মানসিক প্রশান্তিই পান না, বরং দুনিয়া ও আখেরাতে বিশেষ মর্যাদাও লাভ করেন। তাওয়াক্কুলের ছয়টি উল্লেখযোগ্য লাভ আলোচনা করা হলো।

সত্য সবসময়ই যৌক্তিক এবং অসত্য সবসময়ই স্ববিরোধী। তিনি চাইছিলেন তাঁর পিতা যেন অন্ধ অনুকরণ ত্যাগ করে স্বাধীনভাবে নিজের বিবেককে ব্যবহার করেন।

অসুস্থতার কারণে আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশী সবাই তাঁকে ত্যাগ করে চলে যায়। এমনকি তাঁকে জনবসতি থেকে দূরে এক নির্জন স্থানে ফেলে আসা হয়।

অনেকেই মনে করেন, মুত্তাকি মানেই এমন ব্যক্তি যার কখনো কোনো গুনাহ হয় না; অথচ কোরআনের শিক্ষা হলো, মুত্তাকি মানেই নিষ্পাপ মানুষ নয়।

সুরা কাহাফের তিনটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট—আসহাবে কাহাফের তরুণ দল, নবী মুসার জ্ঞানের সফর এবং জুলকারনাইনের বিশ্বাভিযান—আমাদের সামনে নেতৃত্বের তিনটি অনন্য মডেল পেশ করে।

চরিত্রের দুর্বলতাই সম্পর্কের টানাপোড়েন ও নৈতিক অবক্ষয়ের মূল কারণ। আল্লাহভীতি, সত্যবাদিতা, বিনয়, সুন্দর ব্যবহার, ক্ষমাশীলতা, ধৈর্য ও আমানত রক্ষার মাধ্যমে উত্তম চরিত্র গঠন সম্ভব।

জাগতিক ব্যস্ততায় নেক আমলের ধারাবাহিকতা নষ্ট হয়ে যায় না যেন, সেই ইস্তিকামাহ বজায় রাখতে পবিত্র কোরআনের ১০টি শক্তিশালী আয়াতের অনুপ্রেরণা। এগুলো পাঠ করে মানসিক দৃঢ়তা ও আধ্যাত্মিক জোর পাওয়া যায়। ধৈর্য, তওবা ও পারস্পরিক উপদেশের মাধ্যমে নেক পথে অবিচল থাকুন।

ইসলাম প্রচারে কোমলতা মূল নীতি হলেও সত্যের দৃঢ়তা বজায় রাখতে হয়। মুসা (আ.)-এর ফেরাউনের সঙ্গে সংলাপ থেকে কখন কোমল, কখন কঠোর হওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায়। কোরআনের আয়াতগুলো এই ভারসাম্য বোঝায়।

জীবন সবসময় একইভাবে চলে না। কখনো কখনো এমন কঠিন মুহূর্ত আসে যখন মনে হয় চারপাশ থেকে অন্ধকার আমাদের ঘিরে ধরছে।

পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এবং প্রকৃত সাফল্য লাভের জন্য আল্লাহ–তাআলা কোরআনে কিছু সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দিয়েছেন। জীবন-সংগ্রামের এই পরীক্ষায় সফল হতে সহায়ক এমন ১০টি আয়াত।

হঠাৎ পাশ থেকে একটি রিকশা আপনার গায়ে ধাক্কা দিল। ব্যথা পেলেন। এক সেকেন্ড—শুধু এক সেকেন্ডের মধ্যে ভেতরে রক্ত গরম হয়ে গেল, গলা শুকিয়ে এল।