
ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্প–নেতানিয়াহু উত্তপ্ত ফোনালাপ, তীব্র মতবিরোধ
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।

জ্বালানি বাজার থেকে শুরু করে অভিবাসনপথ, ন্যাটো জোট থেকে জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির উত্থান পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এর ঢেউ ইতিমধ্যেই ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।

যে যুদ্ধ ঠেকাতে উপসাগরীয় দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বিপুল বিনিয়োগ করেছিল, শেষ পর্যন্ত সে যুদ্ধই শুরু হয়েছে।

তিনি কখনো ইরান যুদ্ধের বড় সমর্থক ছিলেন না; এখনো যতটুকু সম্ভব নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন

বিশ্ব গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন অবস্থা চলতে থাকলে অল্প কিছুদিনের মধ্যে পৃথিবীর অনেক দেশ তীব্র তেলসংকট পড়বে। এমনকি তেলশূন্যও হয়ে পড়তে পারে।

ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধের সফলতা বিপন্ন। তুরস্কের ডার্ডানেলেস ও গ্যালিপোলির ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে মন্ট্রে কনভেনশনের মতো চুক্তির মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। চার্চিলের ভুল এড়াতে কূটনৈতিক পথ বেছে নেওয়া জরুরি।

এ পদক্ষেপের ফলে আট সপ্তাহে গড়িয়ে যাওয়া ইরান যুদ্ধের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আরও একটি সুযোগ হারাল কংগ্রেস।

তেহরানে বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া সরকার পরিবর্তনের ধারণাকে আঙ্কারা কোনোভাবেই স্থিতিশীলতার সমাধান হিসেবে দেখে না।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আতঙ্কিত নন তেহরানবাসী। তাঁরা এই যুদ্ধকে জীবনের যুদ্ধ মনে করছেন। অন্যায় এই হামলার সমুচিত জবাব দিতে চান তাঁরা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শান্তির জন্য প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব দিলেও ছোটখাটো সংঘাত চলছে।

ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সব দূতাবাস ও কূটনৈতিক দপ্তরকে অবিলম্বে নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা করতে নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো শান্তিচুক্তি হতে হলে একটি ‘ইসরায়েল বাধা’ টপকাতে হবে।