
কোরআনের মাস রমজান
রমজানে কোরআন শিক্ষা করা, কোরআন শেখানোর উদ্দেশ্যে জমায়েত হওয়া এবং অধিকহারে কোরআন তেলাওয়াতে মগ্ন থাকা—এসব আমল বিশেষভাবে মুস্তাহাব ও ফজিলতপূর্ণ বিবেচিত হয়েছে।

রমজানে কোরআন শিক্ষা করা, কোরআন শেখানোর উদ্দেশ্যে জমায়েত হওয়া এবং অধিকহারে কোরআন তেলাওয়াতে মগ্ন থাকা—এসব আমল বিশেষভাবে মুস্তাহাব ও ফজিলতপূর্ণ বিবেচিত হয়েছে।

পুরো মাস রমজানের রোজা রেখে আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণ তাঁর আরও প্রিয় হয়ে ওঠেন। বরকতের নদী উপচে পরে মহান বান্দার ওপর। তাদের জন্য রয়েছে বিশেষ পুরস্কার।

রমজানের ইবাদতের আরও একটি গভীর ও নীরব দিক আছে। সেটি হলো— যা আমরা করি, তা দিয়ে নয়; বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যা আমরা ‘করি না’ বা বর্জন করি।

ইসলামের ‘ফিতরাত’ থেকে শুরু করে বৌদ্ধধর্মের ‘কার্মা’ পর্যন্ত—পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি ধর্ম ও দর্শন একবাক্যে স্বীকার করে যে, ‘দান’ বা ‘বদান্যতা’ হলো এই পৃথিবীর এক অলিখিত নিয়ম।

হতাশা শয়তানের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। আর মুমিন যখন হতাশ হয়, তখনই সে শয়তানের সহজ শিকারে পরিণত হয়। সেই বিষণ্ণতাকে কাটিয়ে ওঠার পথ হলো জিকির।

খুশু কেবল নামাজের কোনো অঙ্গভঙ্গি নয়, বরং এটি হৃদয়ের এক বিশেষ অবস্থা—যা আল্লাহর ভয়ে বিনয়াবনত হওয়া এবং তাঁর মহানুভবতার সামনে নিজেকে সঁপে দেওয়ার নাম।

কবরের আজাব ভয়াবহ। তবে দয়ালু আল্লাহ তাঁর বান্দাদের একা ছেড়ে দেননি। এমন কিছু আমল শিখিয়ে দিয়েছেন, যা অন্ধকার কবরে আলোকবর্তিকা হয়ে দাঁড়াবে।

কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, দুই পবিত্র মসজিদে প্রতি রাতে তারাবির নামাজ ১০ রাকাত এবং এরপর ৩ রাকাত বিতর নামাজ পড়ানো হবে।

এ বছর রমজানে উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকতে হবে রোজাদারদের, অন্যদিকে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোতে রোজার সময় হবে তুলনামূলক অনেক কম।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রমজান মাসে মসজিদে নববিতে মুসুল্লিদের ইবাদতের অভিজ্ঞতা আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে প্রতি বছরের মতো এবারও এই বিশাল স্বেচ্ছাসেবী কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

যেসব নফল জামাতে পড়া যাবে, তাতে জামাতের সওয়াব পাওয়ার আশা করা যায়। যেসব নফল জামাতে বৈধ নয়, তাতে সওয়াবের পরিবর্তে গুনাহ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এখানে ‘সদকা’ মানে হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে সওয়াব বা পুরস্কার। যদি কেউ সওয়াবের নিয়তে ভালো কাজ করে, তবে সে নিশ্চিতভাবে পুরস্কার পাবে।