
মুসলিম সিসিলির উত্থান-পতনের ইতিহাস
দীর্ঘ ২০০ বছরের বেশি সময় এই দ্বীপ মুসলিম শাসনের অধীন ছিল, যা কেবল সামরিক বিজয় নয়, বরং জ্ঞানবিজ্ঞান ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনস্থলে পরিণত হয়েছিল।

দীর্ঘ ২০০ বছরের বেশি সময় এই দ্বীপ মুসলিম শাসনের অধীন ছিল, যা কেবল সামরিক বিজয় নয়, বরং জ্ঞানবিজ্ঞান ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনস্থলে পরিণত হয়েছিল।

প্রেমপত্রটি একজন প্রেমিকের বিদায়বার্তা। তাতে লেখা, ‘আমি খুবই তাড়াহুড়ার মধ্যে রয়েছি।’

একটি ব্র্যান্ড কতটা প্রভাবশালী হলে তার একটি নির্দিষ্ট রং বিশ্বব্যাপী সিগনেচার হয়ে উঠতে পারে, তার উদাহরণ ‘ভ্যালেন্তিনো রেড’।

রেঁনেসা যুগের কিছু শিল্পকর্মে মানবদেহে জিনগত বৈশিষ্ট্যের ধারক ডিএনএর চিহ্ন পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে ফ্যাসিবাদী শাসক বেনিতো মুসোলিনির হস্তক্ষেপে ইতালি শিরোপা জেতে। চেকোস্লোভাকিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয় ইতালি। নকআউট ফরম্যাট, বাছাইপর্ব ও রোমাঞ্চকর ঘটনায় ভরা এই টুর্নামেন্টের স্মৃতি।

মেহেরপুরের হিমসাগর আম ইউরোপের সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম, ইতালি এবং এশিয়ার চীন ও জাপানের মতো উন্নত দেশগুলোয় রপ্তানি হচ্ছে।

নিরা ডেটার ২০২৬ সালের জরিপে ইসরায়েল বিশ্বের সবচেয়ে অপ্রিয় দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র পঞ্চম স্থানে নেমেছে। বিশ্বের সবচেয়ে ইতিবাচক মনোভাবের শীর্ষে সুইজারল্যান্ড, কানাডা, জাপান, সুইডেন ও ইতালি। গাজা ও পররাষ্ট্রনীতির প্রভাবে দুই দেশেরই বৈশ্বিক ভাবমূর্তি ধসছে।

১৯৩৮ সালের বিশ্বকাপে যুদ্ধের ছায়া পড়ল ফুটবলে। ফ্যাসিবাদী ইতালি টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতল ফ্রান্সে। রোমাঞ্চকর গল্প, রহস্যজনক মৃত্যু ও ঐতিহাসিক মুহূর্তের স্মৃতি ফিরে দেখুন।

ইরান যুদ্ধে ন্যাটো মিত্রদের সহযোগিতা না পেয়ে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ। ফ্রান্স ও ইতালি আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি, স্পেনও অটল। এতে মার্কিন প্রশাসন ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে বিভাজন স্পষ্ট।

বিশ্বের মোট অস্ত্র রপ্তানির ৪২ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রের দখলে। এরপর ফ্রান্স ১০, রাশিয়া ৭, জার্মানি ৬, চীন ৬ ও ইতালি ৫ শতাংশ রপ্তানি করে।

ইউরোপের বড় বড় অর্থনীতির দেশ—জার্মানি, ফ্রান্স কিংবা ইতালি—যেখানে মন্দা, মূল্যস্ফীতি ও ধীর প্রবৃদ্ধির চাপে নানামুখী সংকট মোকাবিলা করছে, সেখানে তুলনামূলক ছোট দেশ আয়ারল্যান্ড যেন ভিন্ন এক অর্থনৈতিক ছন্দে এগিয়ে চলেছে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকস্মিক বাড়লেও এখনই নিজেদের সংরক্ষিত জরুরি মজুত বাজারে না ছাড়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিল্পোন্নত সাত দেশ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, ইতালি, জার্মানি ও ফ্রান্স।