
শার্ল বোদলেয়রের দুটি গদ্যকবিতা
এহেন ভাবিতেই অকস্মাৎ চমকাইয়া উঠিলাম: ঠাহর করিলাম পৃষ্ঠদেশে আমার ভয়াবহ একটা কিল পড়িয়াছে।

এহেন ভাবিতেই অকস্মাৎ চমকাইয়া উঠিলাম: ঠাহর করিলাম পৃষ্ঠদেশে আমার ভয়াবহ একটা কিল পড়িয়াছে।

আমার মনের বনে যে ঘন শীত পড়ছে, তা নিবারণ করতে তুমি আসবে তো হিমা? একজন বলল, ‘আপনার কবিতায় এত এত মৃত্যু আসে কেন?’

ইয়োশিয়া নিজেকে প্রশ্ন করে। আমি কি এমন কোনো বন্ধন নিশ্চিত করতে চাইছি, যা আমাকে এখন এখানে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে?

একই পরিস্থিতিতে ও পরিবেশে দীর্ঘদিন একই ধরনের কাজে নিয়োজিত থাকার ফলে এক ধরনের অভ্যাস, রীতি, দৃষ্টিভঙ্গি, ছন্দ, অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও মূল্যবোধ গঠিত হয়।

দ্য লিটল প্রিন্স সাঁ-জুপেরিকে অমরত্ব দিয়েছে। আলোড়িত করেছে, করে যাচ্ছে অগণিত পাঠকের মন।

সে জানে কীভাবে মানুষ তাদের জীবন কাটানোর নানা পরিকল্পনা করে আর তারপর তেমন জীবন সে কোনো দিন কাটায় না।

তাঁর কবিতায় একধরনের ‘মিস্টিক’ বিষাদ ও শান্তির ছোঁয়া পাওয়া যায়। হেসের কবিতায় কোনো অলংকারের বাহুল্য নেই, আছে শান্ত স্বীকারোক্তি।

চোখ বন্ধ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অস্ফুট স্বরে বললেন, ‘আমরা কবিরা স্বপ্ন দেখি যে ইহুদিরা জাতীয়তাবাদের পশ্চিমা ধারণা থেকে নিজেদের মুক্ত করতে পারলে ফিলিস্তিনকে তারা গড়তে পারবে।’

আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, এই বছর তৃতীয়বারের মতো এই পুরস্কার অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিজন বিজয়ী পেয়েছেন পূর্বঘোষিত ১০ হাজার মার্কিন ডলার।

বাতি নিভিয়ে দেয় তারা আর অন্ধকার গ্লাসে আলোর বটিকাটি দ্রবীভূত হওয়ার আগে

এই বিভাজন কেন? কেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কবিতায় আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ উপন্যাসে ধরা পড়ল?

গবেষকেরা মনে করেন, ‘ফ্রাঙ্কের কবিতা হলো মুহূর্তের স্ন্যাপশট, যেখানে একত্রে মিশে গেছে নানা নৈমিত্তিক ভাবনা আর দৈনন্দিনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা।’