
ট্রাম্পের অভিবাসন পুলিশ কী বার্তা দিতে চায়
প্রায় ছয় বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে শ্বেতাঙ্গ এক পুলিশ কর্মকর্তার হাঁটুর চাপে কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনা দেশটির রাজনীতিতে গভীর অভিঘাত সৃষ্টি করেছিল।

প্রায় ছয় বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে শ্বেতাঙ্গ এক পুলিশ কর্মকর্তার হাঁটুর চাপে কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনা দেশটির রাজনীতিতে গভীর অভিঘাত সৃষ্টি করেছিল।

লিবিয়ার ক্ষমতাচ্যুত শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল ইসলামের পরিণতি দেখে বিস্মিত হওয়ার তেমন কোনো কারণ নেই। যে অভিযানে তিনি নিহত হয়েছেন, তা এখনো রহস্যে ঘেরা। তবে তাঁর পরিণতি অপ্রত্যাশিত নয়।

এহেন ভাবিতেই অকস্মাৎ চমকাইয়া উঠিলাম: ঠাহর করিলাম পৃষ্ঠদেশে আমার ভয়াবহ একটা কিল পড়িয়াছে।

এপস্টেইন কেলেঙ্কারির ভয়াবহতায় একটি দ্বীপের গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা সম্ভবত কাকতালীয় কিছু নয়। এই কেলেঙ্কারি এখন আমেরিকার অভিজাত শ্রেণির বিস্তৃত অংশকে জড়িয়ে ফেলেছে। এটি আধুনিকতার একটি কল্পনা ও তার অন্যতম নৃশংস নৈতিক বিভীষিকাকে একসঙ্গে সামনে নিয়ে এসেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত লাখ লাখ নথিতে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। এমন কিছু নেই, যা দেখিয়ে বলা যাবে—এপস্টেইন নিয়মিত সিআইএ, এমআই ৬ বা মোসাদের দপ্তরে যেতেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তাঁর সে প্রয়োজনও ছিল না। সাবেক ও বর্তমান রাষ্ট্রদূত, বিশ্বনেতা ও ধনকুবেররাই তাঁর কাছে যেতেন।

আপনি বালি দিয়ে তায়াম্মুম করছেন কেন?’ ‘হতে পারে সেখানে পৌঁছানোর আগেই আমি আর বেঁচে না–ও থাকতে পারি’, জবাবে তিনি বললেন।

ইয়োশিয়া নিজেকে প্রশ্ন করে। আমি কি এমন কোনো বন্ধন নিশ্চিত করতে চাইছি, যা আমাকে এখন এখানে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে?

আয়তনে জার্মানির চেয়েও বড় বেলুচিস্তান আঞ্চলিক ক্ষমতার খেলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে জড়িয়ে আছে চীনের অর্থনৈতিক লক্ষ্য। ইরানের রাজনীতি। যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল। ভারতের শত্রুর শত্রুনীতি। আফগানিস্তানের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে।

সে জানে কীভাবে মানুষ তাদের জীবন কাটানোর নানা পরিকল্পনা করে আর তারপর তেমন জীবন সে কোনো দিন কাটায় না।

তাঁর কবিতায় একধরনের ‘মিস্টিক’ বিষাদ ও শান্তির ছোঁয়া পাওয়া যায়। হেসের কবিতায় কোনো অলংকারের বাহুল্য নেই, আছে শান্ত স্বীকারোক্তি।

বাতি নিভিয়ে দেয় তারা আর অন্ধকার গ্লাসে আলোর বটিকাটি দ্রবীভূত হওয়ার আগে

বৃদ্ধ লোকটি দরজা খুলে বেরিয়ে এলেন। মুখভরা দাড়ি। হাসিমুখে বললেন, ‘শুভ সকাল, ছোট্ট বন্ধুরা!’ এক পোকু লজ্জা পেয়ে বলল, ‘শুভ সকাল!’