
ইরানে বিক্ষোভে ২০০০ মানুষ নিহত: সরকারি কর্মকর্তা
ইরানে বিক্ষোভে ২০০০ মানুষ নিহত

ইরানে বিক্ষোভে ২০০০ মানুষ নিহত

ইরানে এখন যে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি, তার প্রধান চালিকা শক্তি দেশের নবীন প্রজন্ম, নারী ও পুরুষ উভয়েই। অনেকটা বর্ষাবিপ্লবের বাংলাদেশের মতোই।

ইরানের নির্বাসিত ‘যুবরাজ’ কে এই রেজা

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ইরানে থাকা মার্কিন নাগরিকেরা জিজ্ঞাসাবাদ, গ্রেপ্তার ও আটক হওয়ার উল্লেখযোগ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন।

ইরান শুধু একটি রাষ্ট্র নয়, মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেনের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর ইরানের প্রভাব রয়েছে। কেন্দ্রীয় শাসন দুর্বল হলে এসব নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়তে পারে। এতে পুরো মধ্যপ্রাচ্য দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মধ্যে ঢুকে পড়বে।

ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের হুমকির জবাবে যা বলল ইরান

ইরান আর বিপ্লবী রাষ্ট্র নয়। এটি এখন এক ভীত, কোণঠাসা ধর্মতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, যা আতঙ্ক নিয়ে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে আছে। তারা শুধু মার্কিন যুদ্ধজাহাজ বা ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের ভয়ে আছে, এমনটা নয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির প্রতিক্রিয়া ইরান সরকার বলেছে, তারা ‘যুদ্ধ চায় না, তবে যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত’।

ইরানের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ইরানে বিক্ষোভ চললেও দেশটিতে সরাসরি হস্তক্ষেপের কোনো ইঙ্গিত দেয়নি ইসরায়েল।

অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া এই ক্ষোভ দ্রুতই রাজনৈতিক অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৮ জানুয়ারি দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পরই কড়াকড়ি আরোপ করে সরকার।

চুক্তি বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন সামরিক জোট গঠিত হতে পারে।