
‘মব–কালচার শেষ’ যেন কথার কথা না হয়
‘মব–কালচার শেষ’ যেন কথার কথা না হয়

‘মব–কালচার শেষ’ যেন কথার কথা না হয়

মূলত পেশাদার অর্থনীতিবিদ, আর্থিক খাতে কাজ করা বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ থেকেই গভর্নর বা চেয়ারম্যান বেছে নেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকে হেনস্তার শিকার আরও যত গভর্নর

সরকার আর্থিক খাতকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিয়েছে বলে মনে করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

নতুন সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদে অদল–বদল করবে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু বিদায়ী গভর্নরের প্রস্থান যেভাবে হলো, তা ওনার প্রাপ্য ছিল না। তাঁর সম্মানজনক বিদায় হতে পারত।

বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রবেশের সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এসেছি; কাজ শুরু করি; তারপর কথা বলা যাবে।’

ইংল্যান্ড বা কানাডা অত্যন্ত প্রভাবশালী দেশ। ফলে মার্ক কার্নির নিয়োগ নিয়ে সে সময় তুমুল আলোচনা হয়েছিল। বাংলাদেশ সে তুলনায় ছোট অর্থনীতির দেশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকে গতকাল দিনভর একদল কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিক্ষোভ-উত্তেজনার মধ্য দিয়ে গভর্নরের পদ থেকে বিদায় নিতে হয় আহসান এইচ মনসুরকে।

নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এফসিএমএ ডিগ্রিধারী। তৈরি পোশাক ও আবাসন খাতে ব্যবসা রয়েছে তাঁর।

আজ বিআইবিএম আয়োজিত ‘মুদ্রানীতি ও ব্যাংকের সম্পৃক্ততা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিবেচনার তো কিছু নেই। একটা নতুন সরকার এসেছে। নতুন সরকারের অগ্রাধিকার আছে। পরিবর্তন শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকেই হয়নি।