
ইরান ‘বড় বিপদে’ আছে, হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হতে পারে: ট্রাম্প
ট্রাম্প গত সপ্তাহে তেহরানকে হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে পারে।

ট্রাম্প গত সপ্তাহে তেহরানকে হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে পারে।

মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতিতে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উঠে এসেছে। ইসলামাবাদের যোগাযোগ ও চাপের ফলে আলোচনা টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়েছে। এতে পাকিস্তান নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও ভাবমূর্তির লাভ করেছে।

গত কয়েক দিনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে চালানো এই যুদ্ধ কতটা অসামঞ্জস্যপূর্ণ, অসম্মানজনক এবং উন্মত্ততার সীমা ছুঁয়ে ফেলেছে।

ইরানে যুদ্ধবিরতির কূটনৈতিক প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এর আগে গত মঙ্গলবার আইআরজিসি বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলে তার জবাব দেওয়ার ‘বৈধ ও সুনির্দিষ্ট’ অধিকার তারা সংরক্ষণ করে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান গতকাল বৃহস্পতিবার এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে অভিযুক্ত করে বলেন, তারা ইরানে বিক্ষোভের উসকানি দিচ্ছে।

ইরান থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ।

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে হরমুজ বন্ধ করল ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অস্ত্র তৈরিতে সহায়তার অভিযোগে চীন, হংকংসহ ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। অবৈধ ইরানি বাণিজ্যে সাহায্যকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের ড্রোন উৎপাদন ক্ষমতা ও হরমুজ প্রণালী বন্ধের প্রেক্ষাপটও উল্লেখ করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ হাজার মাইল দূরের হলেও তার অর্থনৈতিক ধাক্কা কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশে পৌঁছে গেছে। এই যুদ্ধ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন কী ঝুঁকি তৈরি করবে

ট্রাম্প বলেন, ‘দুনিয়ার কোনো দেশের প্রধানই ইরানের প্রধান হতে চাইবেন না।’

প্যারিসের ভার্সাই প্রাসাদে গতকাল বুধবার ইরান যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প।