
যুদ্ধ বন্ধে বাংলাদেশের উদ্যোগ চায় গণসংহতি আন্দোলন
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অন্যায় যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে বলে মনে করে গণসংহতি আন্দোলন।

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অন্যায় যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে বলে মনে করে গণসংহতি আন্দোলন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত মেটাতে কয়েকটি দেশ মধ্যস্থতা করছে।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটি ভিডিও ঘিরে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক তুঙ্গে।

কুর্দিরা পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ জাতিগোষ্ঠী, যাদের এখনো নিজস্ব কোনো রাষ্ট্র নেই। বিশ্বজুড়ে তাদের সংখ্যা প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি। তাদের বেশির ভাগই বাস করে আর্মেনিয়া, ইরাক, ইরান, সিরিয়া ও তুরস্কের সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত পাহাড়ি অঞ্চলে।

‘শুনেছি যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল ফুরিয়ে যাচ্ছে, তাই ট্যাংক ফুল করতে এলাম’, চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার এলাকার কিউসি ট্রেডিং লিমিটেড ফিলিং স্টেশনের সামনে দাঁড়িয়ে এ কথাই বলছিলেন অ্যাম্বুলেন্সচালক মোহাম্মদ মামুন।

গত শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে চালানো হামলার বিরুদ্ধে অবস্থা নিয়েছেন বেশির ভাগ মার্কিন নাগরিক। এমনটাই উঠে এসেছে পত্রপত্রিকার জনমত জরিপগুলোয়।

৪ মার্চ ভোরে শ্রীলঙ্কার দক্ষিণে আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রবেশের পর এটি ভয়াবহ হামলার শিকার হয়। শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী এখন পর্যন্ত ৩২ জন নাবিককে জীবিত ও ৮০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

হামলার উদ্দেশ্য ছিল ‘ইরান থেকে আসন্ন হুমকি মুক্ত করে মার্কিন জনগণকে রক্ষা করা।’ তবে হামলার আগে ইরান সশস্ত্র আক্রমণ শুরু করার দ্বারপ্রান্তে ছিল।

জর্ডানের ইরবিদ শহরে বেশ কয়েকটি ড্রোন ছুড়েছে বিমান প্রতিরক্ষাবাহিনী। ঘটনাস্থল থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি এ তথ্য জানিয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডোর আঘাতে কোনো যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হলো।

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের আগ্রাসনে শীর্ষ কমান্ডারদের হারানোর পরও যুদ্ধকালীন সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করেছে ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)।

দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পথে মধ্যপ্রাচ্য