
তুরাগে আগুনে এক পরিবারের ১০ জন দগ্ধ
দগ্ধ ব্যক্তিদের রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দগ্ধ ব্যক্তিদের রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে কোনো পরিবারের একজন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করলে মাসিক ১৫০ (এক শ পঞ্চাশ) টাকা, দুজন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করলে মাসিক ৩০০ (তিন শ) টাকা হারে উপবৃত্তির টাকা পাবে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মাদারীপুরের প্রবাসীরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। মিসাইল হামলা, কাজ বন্ধ ও অনিশ্চয়তায় পরিবারগুলো উদ্বিগ্ন।

উন্মুক্ত পরিবেশে ইফতারে অংশ নিতে অনেকে পরিবারের ছোটদের নিয়ে এসেছেন। তাঁদের সামনেই তৈরি হচ্ছে জিলাপি, বেগুনি ও পেঁয়াজু।

চট্টগ্রামে হালিশহরে একটি ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণের ঘটনায় পরিবারের দগ্ধ নয়জনের মধ্যে বেঁচে থাকা তিন শিশু এখনো জানেন না তাদের মা–বাবা নেই।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় চরম আতঙ্কে আছেন প্রবাসী আহমেদ উল্লা। মঙ্গলবার মুঠোফোনে তিনি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘প্রথম যেদিন কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা হয়, সেদিন থেকেই আমরা চরম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।

দেশে এসে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করা হলো না আবুল মহসিন ওরফে তারেকের। পবিত্র ঈদুল ফিতরের কয়েক দিন আগে তাঁর দেশে ফেরার কথা ছিল, কিন্তু এর আগেই বাহরাইনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন প্রবাসী এই বাংলাদেশি।

গুজব এমন একপর্যায়ে পৌঁছেছে যে আর চুপ থাকা যাচ্ছে না। বিশেষ করে পরিবারের জন্য হলেও মুখ খুলতেই হচ্ছে।

গত সোমবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরের হালিমা মঞ্জিল নামের একটি ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে ওই বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই বাসায় থাকা ৯ জন দগ্ধ হন। এর মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে তিনটি শিশু।

পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আগার পরিবারকে সমর্থকদের কটূক্তি শুনতে হয়েছে। এ নিয়ে কথা বলেছেন পাকিস্তানের পেসার সালমান মির্জা।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের একটি মানবিক দিকও রয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টার ভাষ্যমতে, ঋণের দায় থেকে মুক্তি পাওয়ায় প্রান্তিক পরিবারগুলো এখন বাড়তি অর্থ সন্তানদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করতে পারবে।

জনপ্রতিনিধির ভূমিকা হওয়া উচিত ছিল পরিবারকে আনুষ্ঠানিক আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে সহায়তা করা। কিন্তু অনানুষ্ঠানিক সালিসের যে প্রবণতা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, তা অনেক সময় ভুক্তভোগীকেই আরও ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়।