
৫ জানুয়ারি ২০১৪: কলঙ্কিত নির্বাচনের সেই দিনগুলো
ভোটের পরদিন মুক্তকণ্ঠের ছাপা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ছিল, ‘জাল ভোট, কলঙ্কিত নির্বাচন’।

ভোটের পরদিন মুক্তকণ্ঠের ছাপা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ছিল, ‘জাল ভোট, কলঙ্কিত নির্বাচন’।

টেকগ্লোবাল ইনস্টিটিউটের ‘হাইজ্যাকিং দ্য ভোট: ইনসাইড বাংলাদেশ’স ডেটা–ড্রাইভেন ইলেকশন ম্যানিপুলেশন’ শীর্ষক নীতি প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আজ বৃহস্পতিবার নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে।

‘ভোট কারচুপি রোধে নাগরিক সচেতনতা ও প্রতিরোধ’ শীর্ষক এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজক বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক (ব্রেইন)।

দুই যুগ ধরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে যাঁরা ভোট দিয়ে আসছিলেন, তাঁদের একটি অংশ এখন নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের দুটি ভোট। প্রথম ভোটটা হবে গণভোট। গণভোটে “হ্যাঁ” মানে আজাদি, “না” মানে গোলামি। তাহলে ১২ তারিখে ইনশা আল্লাহ সমস্ত মানুষকে নিয়ে আমরা “হ্যাঁ” ভোটের পাল্লা তুলব।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

দুপুর সাড়ে ১২টায় শফিকুর রহমান সমাবেশস্থলে যোগ দেন। তিনি জনসভায় জেলার ১১টি আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দিয়ে সবার জন্য ভোট চান।

মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা উখিয়া-টেকনাফ ও শাহপরীর দ্বীপজুড়ে ভোটের উত্তাপ। ভোট নিয়ে স্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আর অনিশ্চয়তা নেই।

ধানের শীষের ভোট দুই দিকেই আছে। নজর এখন নৌকার সমর্থকেরা কোন দিকে যাবে।

সবার কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রত্যাশা করে ফজলুর রহমান বলেন, ‘যে কথাটা বাংলাদেশে সাহস করে কেউ বলে না, সেই কথাটা আমি সংসদে বলব।’

প্রার্থীরা প্রতিপক্ষকে মোকাবিলার পাশাপাশি দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন, বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী কাজের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন, সবার কাছ থেকে দোয়া চাচ্ছেন।

অনেক আসনে বিদ্রোহীদের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা যেমন আছে, তেমনি অনেক আসনে বিএনপির ভোট কাটাকাটির কারণে অন্য দল সুবিধা পেতে পারে।