
সিলেটের ছয়টি আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার, প্রার্থীরা দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি
সিলেটের ছয়টি আসনে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। নির্বাচনী জনসভা, পথসভা আর গণসংযোগ করে প্রার্থীরা দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতি।

সিলেটের ছয়টি আসনে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। নির্বাচনী জনসভা, পথসভা আর গণসংযোগ করে প্রার্থীরা দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতি।

কেউ যেন জনগণের ভোটের অধিকারকে ছিনতাই করতে না পারে, ষড়যন্ত্র করে ভোটের ফল পাল্টে দিতে না পারে, সে বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আগুন লাগার জায়গাটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের বাবার নামে করা ফাউন্ডেশন ও অধুনালুপ্ত দৈনিক দক্ষিণ কণ্ঠ পত্রিকার কার্যালয় ছিল।

বিবৃতিদাতারা মহান মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষাসমূহ সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচারের পক্ষে সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বিকেল পৌনে চারটার দিকে উপজেলা সদরের হাসপাতাল সড়কে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন জামায়াতের নেতা-কর্মীরা। ওসির পদত্যাগ চান তাঁরা।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, ওই প্রার্থী গুলি বর্ষণের অভিযোগ করেছেন। তবে অভিযোগের বিন্দুমাত্র সত্যতা পুলিশ এখনো পায়নি।

মামুনুল হক বলেন, দেশের জনগণ বিগত দিনের রাজনীতির কাঁধে সওয়ার হওয়া ‘দুই ভূতকে’ বিদায় করতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।

রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে এনসিপির এই নেত্রী জানান, পরিবর্তন চাইলে শিক্ষিত, ভদ্র ও যোগ্য মানুষদের রাজনীতির মাঠে নামতে হবে।

১১-দলীয় জোট রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে ব্যাপক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন শফিকুর রহমান। শুধুই রাজার ছেলে রাজা হওয়ার রাজনীতি পাল্টে দিতে চান তিনি।

শনিবার বিকেল পৌনে চারটায় বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে ধানের শীষের বিএনপির এই নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার দুপুরে নিজ জন্মস্থান মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌর শহরের নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ১১–দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শফিকুর রহমান।

নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।