
যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন ছাড়া ইরানের কোনো সর্বোচ্চ নেতা বেশি দিন টিকবেন না: ট্রাম্প
ট্রাম্প আবারও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ওপর নিজের প্রভাব খাটানোর দাবি করেছেন।

ট্রাম্প আবারও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ওপর নিজের প্রভাব খাটানোর দাবি করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় তেল নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পথ খুলছে; একই সঙ্গে ইরানে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তহবিল গঠনের পরিকল্পনাও সামনে এসেছে।

৮৮ দিন পর ইরানে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগ সচল করা হয়েছে।

কাতারের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুলতান বারাকাতের ধারণা, ইসরায়েল সীমিত পরিসরে ট্যাকটিক্যাল পারমাণবিক হামলা চালিয়ে নিজেদের পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে পারে। ট্রাম্পের কঠোর ভাষা এর ইঙ্গিত দেয় বলে তিনি মনে করেন। ইসরায়েল পারমাণবিক অস্ত্রের মালিকানা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।

ইরানি রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, হুমকির মধ্যে ১৭টি বেসামরিক স্থাপনায় হামলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এটি যুদ্ধাপরাধ।

ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঠেকাতে গিয়ে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে এসেছে।

সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প ইরান নিয়ে ধৈর্য হারানোর কথা বলেছেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার বিষয়ে দুই নেতা একমত। এদিকে প্রণালিতে জাহাজ আক্রমণের ঘটনায় উত্তেজনা বাড়ছে।

ইহুদি জাতির হাজার বছরের ইতিহাস থেকে শুরু করে আধুনিক ইসরায়েল-ইরান দ্বন্দ্বের বিশ্লেষণ। ইরান টিকে থাকার কৌশল অনুসরণ করছে, আমেরিকা-ইসরায়েলের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতামতসহ সভ্যতার দীর্ঘতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে অস্থিরতা শুরু হয়েছে, সেটা ইরান যুদ্ধ নিয়ে যে কোনো পূর্বাভাসেই বলা হয়েছিল।

হরমুজ প্রণালীতে সোমবার মার্কিন সামরিক অবরোধ শুরু হয়েছে। ১৫টির বেশি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানি জাহাজের আক্রমণের হুমকি দিয়েছেন। ইরানও কঠোর জবাবি হুঁশিয়ারি জানিয়েছে।

জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির চাপের মধ্যেই ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে একটি জাহাজ আজ বৃহস্পতিবার দেশে পৌঁছেছে। ইউনিপেক নামের চীনের একটি প্রতিষ্ঠান চুক্তি অনুযায়ী এই জ্বালানি সরবরাহ করেছে।

বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।