
মধ্যরাতে পরিদর্শনে বেরিয়ে আইজিপি বললেন, ‘নগরবাসীর নিরাপত্তায় নিজেই রাস্তায় নেমেছি’
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকলে অর্থনীতি ও বিনিয়োগ দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে উল্লেখ করেন আইজিপি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকলে অর্থনীতি ও বিনিয়োগ দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে উল্লেখ করেন আইজিপি।

অর্থনীতি, উন্নয়ন অধ্যয়ন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সমাজবিজ্ঞান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ নানা বিষয়ে পড়েই আপনি আইএনজিওর কর্মী হতে পারেন।

চলতি বছর বৈশ্বিক অর্থনীতি ১২৩ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

এ বৃত্তি পেলে স্বাস্থ্য, ডেভেলপমেন্ট, পরিবেশ, সাসটেইনেবিলিটি, ট্রেড, পাবলিক পলিসি, অর্থনীতি, গভর্ন্যান্স, ইনফ্রাস্ট্রাকচার, সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্লু ইকোনমিসহ বিভিন্ন বিষয়ে পড়া যাবে দেশটিতে।

দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি ও বিনিয়োগে বর্তমান যে স্থবিরতা চলছে, নিশ্চিত করেই তার বড় দায় রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের।

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের অর্থনীতি, খাদ্যনিরাপত্তা ও গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে কৃষি নিবিড়ভাবে যুক্ত। এই কৃষিব্যবস্থার পেছনে রয়েছে লক্ষ মানুষের পরিশ্রম।

ক্ষমতায় গেলে রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ও হোম ইকোনমিকস কলেজকে (বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবে জামায়াতে ইসলামী।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবোটিকস প্রযুক্তি আগামী দশকে স্বাস্থ্যসেবা, অর্থনীতি ও মানবজীবনের মৌলিক ধারণায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন ইলন মাস্ক।

জাতিসংঘের অর্থনীতি ও সামাজিক সম্পর্ক বিভাগের এক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির দিক থেকে ২০২৫ সালে বাংলাদেশে শীর্ষে ছিল। ২০২৬ সালেও বাংলাদেশে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি থাকবে।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য আইরিন ট্রেসি বলেছেন, পৃথিবীতে আজ শিক্ষিত নারীর ভীষণ প্রয়োজন। কেননা, শিক্ষিত নারী ছাড়া অর্থনীতি, সংস্কৃতি কিংবা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা—কোনো ক্ষেত্রেই সফল হওয়া সম্ভব নয়। শিক্ষার অধিকার থেকে নারীদের বঞ্চিত করা হলে সমাজ অনেক বড় সম্ভাবনা হারায়।

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের যে অগ্রযাত্রা, তার পেছনে শিক্ষা, অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নে নারীর অবদান নিশ্চিত করেই বড় ভূমিকা রেখেছে।

বাংলাদেশে ডিজিটাল অর্থনীতি দ্রুত বিকাশমান হলেও এই খাতে এখনো নীতিগত অস্পষ্টতা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, উচ্চ ব্যান্ডউইডথ ব্যয়, ডিজিটাল বৈষম্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে জবাবদিহির অভাবসহ নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে।