
‘বিদ্রোহী’ সেলিমের চাপে বাগেরহাটে বিএনপি
নির্বাচনী আইন অনুসারে, তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। কিন্তু স্থানীয় ভোটাররা চেনেন তাঁদের বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে।

নির্বাচনী আইন অনুসারে, তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। কিন্তু স্থানীয় ভোটাররা চেনেন তাঁদের বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে।

পটুয়াখালী-৩ আসনে (গলাচিপা-দশমিনা) বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক (নুর) অভিযোগ করেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন ও তাঁর সমর্থকেরা ধারাবাহিকভাবে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।

মহিউদ্দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তিনি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব ছিলেন।

নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের বিএনপি-দলীয় প্রার্থী ফারজানা শারমিনকে (পুতুল) নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার কারণে একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলামকে জরিমানা করা হয়েছে।

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমান অভিযোগ করেছেন, ওই আসনের বিএনপির প্রার্থী তাঁকে হুমকি দিচ্ছেন।

আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সালমান ওমর।

রাঙামাটি আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার রাতে এ ঘটনায় তিনি রাঙামাটির কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

একটি আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদাকে হারিয়ে দিয়েছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান। স্বতন্ত্র পরিচয়ে তিনি হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন।

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল (কাপ-পিরিচ)। এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির সহশিল্প ও বাণিজ্য–বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর ও হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জোটের প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক (নূর)।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুমিন ফারহানা ৩৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।