
চাকরিজীবনে বেতন বড় নাকি সম্মান? জরিপে উঠে এল চমকপ্রদ তথ্য
জরিপে অংশ নেওয়া ৫৮ শতাংশ কর্মী জানান, ১০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির চেয়ে তাঁদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, যারা কর্মীর ভালো–মন্দের খেয়াল রাখে।

জরিপে অংশ নেওয়া ৫৮ শতাংশ কর্মী জানান, ১০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির চেয়ে তাঁদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, যারা কর্মীর ভালো–মন্দের খেয়াল রাখে।

৩০ মার্চ প্রথমবারের মতো জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদদের সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায় ‘ক্রীড়া ভাতা’ প্রদান করা হবে।

২২ মাস বেতন না পেয়ে সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের ৩৭ শিক্ষক-চিকিৎসক কর্মবিরতিতে গেছেন। এতে পাঠদান ও চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়েছে। শিক্ষার্থী ও রোগীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের পর সরকারি ব্যয় কমানোর অংশ হিসেবে আজ বুধবার জাতীয় পরিষদ (এনএ) সচিবালয় নতুন মিতব্যয়িতা নীতি ঘোষণা করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক (এসএমডি) পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদনের শেষ তারিখ আগামী ৯ জুলাই ২০২৬।

বাংলাদেশ পুলিশে ‘সার্জেন্ট’ পদে বেতন ১৬,০০০ স্কেলে। ২ এপ্রিলে আবেদনকারীর বয়স ১৯ থেকে ২৭ বছরের মধ্যে হতে হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ দেশে দক্ষ মানবসম্পদের অভাবে বিদেশিদের চাকরি করে বেতন নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে পুরস্কার ও বাজারজাতকরণে সরকারি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন। ‘স্কিল ইস দ্য ফিউচার: ইয়ুথ এমপ্লয়াবিলিটি সামিট ২০২৬’-এ তিনি এ বক্তব্য পেশ করেন।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকার ব্যয় কমানোর ব্যাপারটা আমলে নিয়েছে মনে হয়। মন্ত্রণালয় বা বিভাগ একীকরণ করে আকার ছোট করার, এবং ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি কেনা স্থগিত করা ও সরকারি প্লট না নেওয়ার উদ্যোগ প্রশংসনীয়, কিন্তু এতগুলো উপদেষ্টা নিয়োগ, তাঁদের বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা দেওয়া কৃচ্ছ্রসাধন নীতির পরিপন্থী।

বাংলাদেশ পুলিশে ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই-নিরস্ত্র) পদে নিয়োগে আবেদন চলছে।

বাংলাদেশ পুলিশে সার্জেন্ট পদে নারী-পুরুষ প্রার্থীদের আবেদন চলছে, বেতন স্কেল ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা। বয়সসীমা ১৯-২৭ বছর, আবেদনের শেষ সময় ২ এপ্রিল ২০২৬। স্নাতক ডিগ্রি, মোটরসাইকেল চালানোর দক্ষতা ও অবিবাহিত হওয়া আবশ্যক।

কমিশন বলেছে, সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হলে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার বাড়তি দরকার পড়বে। বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় হচ্ছে ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা বোর্ডের একই সিলেবাস অনুযায়ী পাঠদানসহ শিক্ষার যাবতীয় কর্মকাণ্ড সম্পাদন করেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মতো সুবিধা ভোগ করতে পারেন না। আবার বেসরকারি কলেজের শিক্ষকদের মধ্যে এমপিও–নীতির নামে এই বৈষম্য শিক্ষার প্রতি সরকারের নিষ্ঠুর উদাসীনতারই সাক্ষ্য দেয়। জানি না, এমন পৃথিবীর আর কোনো দেশে হয় কি না!