
অস্ট্রেলিয়ার উচ্চশিক্ষা: সংকটের মুখে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা
অস্ট্রেলিয়া যদি তার শিক্ষার মান বজায় রাখতে চায়, তবে মেধাবী শিক্ষার্থীদের এভাবে নিরুৎসাহিত করা ঠিক হবে না।

অস্ট্রেলিয়া যদি তার শিক্ষার মান বজায় রাখতে চায়, তবে মেধাবী শিক্ষার্থীদের এভাবে নিরুৎসাহিত করা ঠিক হবে না।

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকায় যেখানে বহুদিন শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি, এ রকম অবহেলিত কয়েকটি এলাকায় শিক্ষার আলো পৌঁছে দিচ্ছে মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট।

অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে নতুন করে পরীক্ষা চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এমন নিয়মও আছে—মেধাবী শিক্ষার্থীরা অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের পড়িয়ে স্কুল থেকে টাকা পায়।

প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক শিক্ষিত যুবক বের হলেও কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাবে তাঁরা বেকার থাকছেন।

শিক্ষকদের মানসম্মত প্রশিক্ষণ, আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি করা জরুরি।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত বাবুডাইং আলোর পাঠশালার শিক্ষার্থীদের মান উন্নয়নে বুধবার অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে প্রায় ১৫০ জন অভিভাবক অংশ নেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির (এসএমসি) সভাপতি জহিরুল ইসলাম মাখনের সভাপতিত্বে সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী উজ্জামান নূর।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, কিশোর গ্যাংয়ের বিষয়ে একদম জিরো টলারেন্স হতে হবে।

অভাব, কষ্ট আর নানা প্রতিকূলতার মাঝেও হার মানেনি এক গ্রামীণ শিক্ষার্থীর স্বপ্ন। সমাজের বাধা পেরিয়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এক নীরব সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে টেকনাফ উপজেলার কিশোর শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম।

একটি যুগোপযোগী ও ন্যায়ভিত্তিক শিক্ষাকাঠামো গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ ছিল শিক্ষা আইন ২০২৬। কিন্তু তাড়াহুড়ো, সীমিত পরামর্শ ও রূপান্তরমূলক দৃষ্টিভঙ্গির অভাবে এটি সেই সুযোগ হারানোর ঝুঁকিতে আছে। শিক্ষা আইন যেন আরেকটি প্রশাসনিক দলিল না হয়ে ওঠে। বরং তা হোক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সামাজিক চুক্তি। সে জন্য সময় নিয়ে, সাহসী সংশোধনের মাধ্যমে এই আইনকে নতুন করে ভাবাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

খসড়া শিক্ষা আইনে কিছু ইতিবাচক ভাষ্য থাকলেও গভীরভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এটি মূলত বিদ্যমান ব্যবস্থাকেই আইনি কাঠামোর মধ্যে এনে সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

উম্মে সালামা বেশ ভালোভাবেই জানতেন, মা যদি ধার্মিক হয়, যদি হয় খোদাভীরু—তাহলে সমাজের চিত্রই পালটে যাবে। সমস্ত সমাজই ইসলামের আলোয় হয়ে উঠবে আলোকিত।