
শেষ মুহূর্তে থমকে গেল আলোচনা : যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তিচুক্তির ভবিষ্যৎ কোন দিকে
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জেনেভা সফরের পরিকল্পনা হঠাৎ বাদ দেওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জেনেভা সফরের পরিকল্পনা হঠাৎ বাদ দেওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

গয়াল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের যে বাণিজ্য চুক্তি হতে যাচ্ছে, সেখানে সুতা আমদানিতে সুবিধাসংক্রান্ত একটি ধারা থাকবে।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে করা দুটি বাণিজ্যচুক্তির কারণে দেশের প্রাণবৈচিত্র্যজগতে নতুন সংকট, ঝুঁকি ও হুমকি তৈরি হলো কি না, তা নিয়ে লিখেছেন পাভেল পার্থ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তেহরানকে ১০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছেন। এর মধ্যে চুক্তি না হলে ইরানে হামলার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

সরঞ্জাম সরবরাহ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং যৌথ গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে জাপানের সঙ্গে হওয়া প্রতিরক্ষা চুক্তি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘চুক্তিটি সই হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সবার জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে।’

মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, চুক্তির আওতায় ইরান অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে কি না, তা নির্ভর করবে দেশটি তার প্রতিশ্রুতি কতটা পূরণ করছে তার ওপর।

তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত রোডমার্চে নেমেছেন হানিফ বাংলাদেশি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তি বাতিলসহ একাধিক দাবি তুলে ধরেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে ইসরায়েল অনিচ্ছুক হলেও ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত মেনে চলবে। ইসরায়েলি সূত্র সিএনএনকে এ তথ্য দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে সম্মান করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর করে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার। জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে অস্থায়ী একটি সরকার কর্তৃক কঠোর গোপনীয়তা বজায় রেখে এই চুক্তি স্বাক্ষরের ঘটনা নানা কারণে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। এ চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ কতটা রক্ষিত হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে দুই পর্বে লিখেছেন কল্লোল মোস্তফা।

গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল।

মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবি, অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব ও নীতিগত স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ অর্থনীতিবিদদের।