
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলায় ইরান ও লেবাননে বাস্তুচ্যুত ৪০ লাখ মানুষ
এ পর্যন্ত ইরানে ৩২ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এ পর্যন্ত ইরানে ৩২ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

ইরাক সফরে গিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী আগামী ৩০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে তেহরানের একক নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।

মার্কিন নীতিনির্ধারকদের ধারণা, নতুন করে ভয়াবহ হামলার পর ইরান নমনীয় হতে বাধ্য হবে। পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার টেবিলে আসতে আগ্রহী হবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধের সময়টায় সর্বোচ্চ নেতার চিরচেনা ভূমিকায় বড় পরিবর্তন এসেছে।

ইসরায়েলের আরাদ, দিমোনা ও তেল আবিব শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন।

জ্বালানি বাজার থেকে শুরু করে অভিবাসনপথ, ন্যাটো জোট থেকে জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির উত্থান পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এর ঢেউ ইতিমধ্যেই ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ সচল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছে পাকিস্তান।

চলমান এই সংঘাতের ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয় দেশই এফ-৩৫ ব্যবহার করছে। এসব যুদ্ধবিমানের একেকটির নির্মাণে ব্যয় হয় ১০ কোটি ডলারের বেশি।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুদ্ধবিরতির পর সেনাদের গুলি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন, তবে শর্ত না মানলে লড়াই চলবে। ১০ এপ্রিল শুক্রবার ইসলামাবাদে ১০ দফা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালী খোলার উপর নির্ভর করছে যুদ্ধবিরতি।

ইরানি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজে পাল্টা হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেশম দ্বীপসহ বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ নিশ্চিত করেছে। ট্রাম্প বলেছেন, তিনটি ডেস্ট্রয়ার নিরাপদে হরমুজ পার হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বোমা হামলায় তেহরানের সাধারণ মানুষের জীবিকা ধ্বংস হয়েছে। চশমার দোকান থেকে পারলার, স্টুডিও-রেস্তোরাঁ পর্যন্ত সব লণ্ডভণ্ড। তারা শুধু চান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হোক।