
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে সরকার, আশা ভারতের
বাংলাদেশ সরকার দেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে এবং উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা করছে ভারত।

বাংলাদেশ সরকার দেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে এবং উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা করছে ভারত।

পশ্চিমবঙ্গে এই উৎসবে সকালের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ২ লাখ ৫৭ হাজার মানুষ তাঁদের নাম নথিভুক্ত করেন।

বাবরি মসজিদ মামলার অন্যতম ওই আসামি বলেন, রাম মন্দিরে ভক্তদের কাছ থেকে প্রতিদিন সোনা ও রুপার গয়নাসহ প্রায় ১ কোটি রুপি পর্যন্ত অনুদান পাওয়া যাচ্ছে।

‘বাংলায় আমাদের যত অত্যাচার করবেন, দিল্লিতে আপনাদের সমস্যা তত বাড়বে।’ গত ২৪ মে বিজেপিকে এভাবেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ভারতের নতুন হাইকমিশনার তাঁর স্ত্রী মৃণাল ত্রিবেদীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় আসবেন।

বিশাখাপত্তনম স্টিল প্ল্যান্টে দুর্ঘটনায় আট শ্রমিক নিহত ও ছয়জন দগ্ধ হয়েছেন।

ভারতের তরুণদের মধ্যে জমে থাকা ক্ষোভ অপ্রত্যাশিতভাবে রূপ নিয়েছে একটি অপ্রথাগত রাজনৈতিক দলে। সেটি হলো—‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি। দিল্লিতে সমাবেশ করে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি তুলেছে তারা।

গ্রেট নিকোবর দ্বীপের সঠিক জনসংখ্যা কত, তা ভারত সরকারের জানা নেই।

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং পাঁচ দিনের সফরে ভারতে গেছেন। সেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁদের আলোচনায় গুরুত্ব পায় ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ, সীমান্ত নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার মতো বিষয়গুলো।

ভোটে শোচনীয়ভাবে হারার পর প্রথম প্রকাশ্যে কর্মসূচিতে এলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলনের ঘোষণা দিলেন তিনি; বললেন, তাঁর লক্ষ্য রাজ্যের ক্ষমতা থেকে বিজেপিকে হটানো।

পক্ষকাল অতিবাহিত। এখনো পূর্ণ মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়নি। কিন্তু কালক্ষেপণ না করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির নীতি রূপায়ণে মন দিয়েছেন।

বিহার, দিল্লি, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে জেতার পর বিজেপির ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে দক্ষিণ ভারতের দুটি অ-হিন্দি রাজ্য তামিলনাড়ু ও কেরালায়। এসবই নরেন্দ্র মোদির পক্ষে যাচ্ছে।