
ইরানে ট্রাম্পের অভ্যুত্থানের ডাক ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সেই ভুলের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে
মার্কিন বাহিনী কুয়েতে ইরাকের বিরুদ্ধে ‘ডেজার্ট স্টর্ম’ অভিযান চালিয়েছিল

মার্কিন বাহিনী কুয়েতে ইরাকের বিরুদ্ধে ‘ডেজার্ট স্টর্ম’ অভিযান চালিয়েছিল

এর আগে সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নারী খেলোয়াড়দের রাজনৈতিক আশ্রয় না দেওয়ায় অস্ট্রেলিয়া সরকারের সমালোচনা করেছিলেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলা ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে।

মার্কিন-ইসরায়েলি তরফ থেকে অবশ্য ভিন্নকথা বলা হয়েছে। কেন এই যুদ্ধ, তার ব্যাখ্যায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ পর্যন্ত আধা ডজনের মতো কারণ দেখিয়েছেন।

ইসলামাবাদে ১১ এপ্রিল শান্তি আলোচনার জন্য ইরান ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ, নিষেধাজ্ঞা বাতিলসহ কঠোর শর্ত রয়েছে। তেহরান এছাড়া যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ ও সম্পদ ফেরতেরও দাবি জানিয়েছে।

ইরানের কারাজে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের সর্বোচ্চ সেতু আংশিকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত। এর জবাবে ইরান উপসাগরীয় দেশসহ আটটি সেতুর তালিকা প্রকাশ করেছে। হামলায় ৮ নিহত ও ৯৫ আহত হয়েছেন।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে খোদ মার্কিন সিনেটের ভেতর আহত হয়েছেন ব্রায়ান ম্যাকগিনিস নামের এক সাবেক মেরিন সদস্য।

জাহাজ চলাচলকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, প্রণালিটি দিয়ে যান চলাচল যুদ্ধ–পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে এখনো সময় লাগবে। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং মাইন পরিষ্কারের কাজ এখনো বাকি।

এ পদক্ষেপের ফলে আট সপ্তাহে গড়িয়ে যাওয়া ইরান যুদ্ধের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আরও একটি সুযোগ হারাল কংগ্রেস।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে মার্কিন প্রশাসন পরস্পর সাংঘর্ষিক দুটি চুক্তি সই করেছে। ইরানের ওপর শান্তির শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার যে ক্ষমতা ইসরায়েল হারিয়েছিল, সেটি তারা এখন লেবাননে ফিরে পেতে চাইছে।

মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরানি বন্দরে নৌ অবরোধের কারণে অন্তত চার মাস বড় অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটবে না। পারস্য উপসাগরে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০১ ডলার ছাড়িয়েছে।

তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। তিনি ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন। চীন ও রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে সামরিক সহায়তা করে আসছে।