
মহাবিশ্বে আমরা কি সত্যিই একা
বিশাল মহাবিশ্বে কি অন্য কোথাও প্রাণের অস্তিত্ব আছে? এই প্রশ্ন আমাদের অনেকের মনেই উঁকি দেয়।

বিশাল মহাবিশ্বে কি অন্য কোথাও প্রাণের অস্তিত্ব আছে? এই প্রশ্ন আমাদের অনেকের মনেই উঁকি দেয়।

বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, আমাদের মহাবিশ্বের অস্তিত্ব আসলে সাতটি মাত্রার ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে।

মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং বিশদ ত্রিমাত্রিক মানচিত্র উন্মোচন করেছেন বিজ্ঞানীরা।

রহস্যময় ডার্ক ম্যাটারের সঠিক তথ্য জানতে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা।

মহাবিশ্ব কেন দ্রুতগতিতে প্রসারিত হচ্ছে, তার কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীরা।

নাসা অরোরার বৈদ্যুতিক মানচিত্র তৈরির জন্য আলাস্কা থেকে দুটি রকেট উৎক্ষেপণ করেছে। জিএনইআইএসএস অভিযানে সিটি স্ক্যানের মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইলেকট্রন প্রবাহের রহস্য উদঘাটন করা হবে। এটি স্যাটেলাইট ও যোগাযোগব্যবস্থার ক্ষতি রোধে সহায়ক হতে পারে।

ধূমকেতু সি/২০২৬ এ১ (ম্যাপস) সূর্যের পৃষ্ঠ থেকে মাত্র এক লাখ মাইল দূরে গিয়ে অক্ষত ফিরে এসেছে। এটি এখন পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যাচ্ছে। ১২ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিম আকাশে দিগন্তের কাছে এর উপস্থিতি লক্ষ করা সম্ভব।

১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশের পরিষ্কার আকাশে শুক্র, মঙ্গল, শনি, বৃহস্পতির মিলনসহ চাঁদের কনজাংশন ও নক্ষত্রপুঞ্জ দেখা যাবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানপ্রেমীরা এই সময়টি উপভোগ করতে পারবেন। এপ্রিলের প্রথম পক্ষকাল আকাশপ্রেমীদের জন্য বিশেষ সুযোগ নিয়ে এসেছে।

নাসার পারসিভিয়ারেন্স রোভার মঙ্গলের নেরেতভা ভ্যালিসে অভূতপূর্ব পরিমাণ নিকেল শনাক্ত করেছে। এই আবিষ্কার প্রাচীন মঙ্গলের রাসায়নিক ইতিহাস এবং অণুজীবের বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন আলোকপাত করবে। বিজ্ঞানীরা এতে অক্সিজেনবিহীন পরিবেশ এবং জৈব যৌগের সন্ধান পেয়েছেন।

পৃথিবীর কাছাকাছি আসতে যাওয়া একটি গ্রহাণুতে নিজেদের তৈরি ল্যান্ডার বা চন্দ্রযান অবতরণের পরিকল্পনা করেছেন বিজ্ঞানীরা।

পৃথিবীসদৃশ ৪৫টি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন, যেখানে এলিয়েন বা ভিনগ্রহের প্রাণীদের বসবাসের জন্য আদর্শ পরিবেশ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির (ছায়াপথের) কেন্দ্রস্থল থেকে আসা তিনটি রহস্যময় সংকেতের শক্তির উৎস খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।