
হেরে গেলেন গোলাম পরওয়ার, মঞ্জু ও কৃষ্ণ নন্দী, বিএনপি জিতেছে ৪টিতে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনের চারটিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনের চারটিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা।

মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামীপন্থীরা ১৫টি পদের মধ্যে ১৩টি দখল করেছে। বিএনপিপন্থী কেউ জয় পাননি, সভাপতি পদে জামায়াত অনুসারী এমদাদুল হক খান নির্বাচিত। নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে ১ লাখ ২০ হাজার ভোটের বেশি ব্যবধানে জয় পান মুজিবুর রহমান চৌধুরী।

সিলেট বিভাগের চার জেলার ১৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিন প্রবাসী। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তাঁরা জয়ও পেয়েছেন।

এই আসনে এবার প্রার্থী ৯ জন। তাঁদের মধ্যে দুজন স্বতন্ত্র ও একজন নারী প্রার্থী রয়েছেন।

অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে বিদ্রোহী প্রার্থীর চাপ, চাঁদাবাজি-দখল ও প্রার্থী নির্বাচনে ভুল—এসব কারণ বাগেরহাটে বিএনপির বড় পরাজয়ের কারণ বলে ধারণা রাজনীতিসচেতন স্থানীয়দের।

নোয়াখালী ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৫টিতেই জয় পেয়েছে বিএনপি। আর একটিতে জয় পেয়েছে ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে মনোনীত জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বেসরকারিভাবে এসব আসনের ফল ঘোষণা করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।

ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনে স্বাধীনতার পর ১২টি নির্বাচনের ৮টিতেই জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৪ আসনে ১ লাখ ৪৮ হাজার ২০১ ভোট পেয়ে জয় পান জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আফজাল হোসেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-২ আসনে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৫০ ভোটের ব্যবধানে ভূমিধস জয় পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বাকি একটি আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী।