
নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন সিপিবির ৬৩ প্রার্থী, শহীদ মিনার থেকে প্রচার শুরু আগামীকাল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ৬৩ জন প্রার্থী লড়াই করবেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ৬৩ জন প্রার্থী লড়াই করবেন।

গতকাল সোমবার আইসিজের ওয়েবসাইটে ‘গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন এগিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটছে’ শিরোনামে একটি বিশ্লেষণধর্মী লেখায় এ কথা বলা হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের একটি আসনে প্রার্থী সরিয়ে নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী।

ফার্নান্দো বের্তোয়ার মতে, অনেক সময় ধারণা করা হয় ‘পাবলিক ফান্ডিং’ দুর্নীতি বাড়ায় কিংবা রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করে; কিন্তু আন্তর্জাতিক গবেষণাগুলো ভিন্ন চিত্র দেখায়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমাজ বেশ হতবিহ্বল অবস্থায় পড়েছে এই মুহূর্তে। রাজনৈতিক সংস্কারের অনেক দিনের প্রচেষ্টাগুলো আচমকা আটকে গেল সংসদে।

বাণিজ্যমন্ত্রী ৫৮টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যঘাটতির তালিকা সংসদে তুলে ধরেন। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশ তৈরি পোশাক খাত থেকে আসে বলে জানান।

গণতন্ত্রের ইতিহাসে আইনের শাসনের লড়াই থেকে বাংলাদেশের ২০২৬ গণভোটের জুলাই সনদ পর্যন্ত—জনগণের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা কি ক্ষমতার পুরানো অসুখ ফিরিয়ে আনছে? লেখায় সংস্কারের বাস্তবায়ন নিয়ে বর্তমান সরকারের পদক্ষেপের সমালোচনা করা হয়েছে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে গণরায় রক্ষার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পরাজিত হয়েছে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কাছে। বিএনপি অনেকের কাছে মধ্যপন্থী দল হলেও তুলনামূলকভাবে সেক্যুলারও।

নেপথ্যের পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবি নিয়েই পল্টনে নিজেদের সমাবেশে ২৫ বছর আগের বোমা হামলার বার্ষিকী পালন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।

জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘তাদের মুখে একটা, কাজে আরেকটা।’

টানা দেড় দশকের বেশি সময় ক্ষমতায় থাকা দলটির সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—আওয়ামী লীগ কি আবার বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরতে পারবে?

জাতীয় সংসদে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, বাংলাদেশের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) স্তরকে সিঙ্গাপুরের ষষ্ঠ শ্রেণির সমান হিসেবে তুলনা করা হয়।