
মানব উন্নয়নের জন্য কাজ কতটা গুরুত্বপূর্ণ
কাজ ও মানব উন্নয়ন পরস্পর পরস্পরকে জোরদার করে। কর্মনিয়োজন মানুষের আয় ও জীবিকা নিশ্চিত করে, দারিদ্র্য কমায়, ন্যায্য প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করে এবং মানব উন্নয়নকে এগিয়ে নেয়।

কাজ ও মানব উন্নয়ন পরস্পর পরস্পরকে জোরদার করে। কর্মনিয়োজন মানুষের আয় ও জীবিকা নিশ্চিত করে, দারিদ্র্য কমায়, ন্যায্য প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করে এবং মানব উন্নয়নকে এগিয়ে নেয়।

টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নতুন সরকারকে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। বিচক্ষণতার সঙ্গে ব্যয় ও দক্ষতার সঙ্গে রাজস্ব আদায় করতে হবে।

বাংলাদেশ গত দুই দশকে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। কিন্তু সেই প্রবৃদ্ধির সুফল সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছায়নি।

শেয়ারবাজার বিশ্লেষকদের মতে, তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানির ব্যবসায় ভালো প্রবৃদ্ধি রয়েছে, সেসব কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পিই রেশিও যত কম বিনিয়োগ, ততই কম ঝুঁকিপূর্ণ।

খেলাফত মজলিস জিডিপির প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশে নিতে চায়।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে কোম্পানিটির ব্যবসা বেড়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ আর মুনাফায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৩ শতাংশের বেশি।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।

চার বছর ধরে বাংলাদেশ উচ্চ মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরগতি, বেসরকারি বিনিয়োগের স্থবিরতা, রাজস্ব আহরণে বড় ঘাটতি, খেলাপি ঋণের বৃদ্ধি, অনেক ব্যাংকে তারল্যসংকট এবং জ্বালানি সরবরাহে অব্যাহত সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি।

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকা শক্তি এসএমই। তবে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও অর্থায়নের অভাবে অনেক উদ্যোক্তা এখনো প্রাতিষ্ঠানিক সেবার বাইরে রয়েছেন।

সব অংশীজনের সহযোগিতা ও কর্মীদের নিষ্ঠা ব্যাংকের সফল পুনরুদ্ধার ও ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন এবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমান।

দলটি মনে করে, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির আশাবাদ, মূল্যস্ফীতি ৭.৫-এ নামিয়ে আনা, ৬.৫ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা বর্তমান বাস্তবতায় কঠিন হবে।

বাংলাদেশের জনসংখ্যার বড় একটি অংশ তরুণ। এই জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে না পারলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না।