
বনে পাওয়া আহত ঈগলের বাচ্চা সুস্থ হয়ে উঠছে কিশোরের যত্নে
ঈগলের বাচ্চাটি এখন অল্প অল্প করে উড়তে পারে। সারা দিন এটি বাড়ির আঙিনায় ছোটাছুটি করে। কখনো উড়ে গাছের ডালে গিয়ে বসে থাকে। যখন ক্ষুধা লাগে, তখন আবার ফিরে আসে।

ঈগলের বাচ্চাটি এখন অল্প অল্প করে উড়তে পারে। সারা দিন এটি বাড়ির আঙিনায় ছোটাছুটি করে। কখনো উড়ে গাছের ডালে গিয়ে বসে থাকে। যখন ক্ষুধা লাগে, তখন আবার ফিরে আসে।

পাখির এমন আনন্দময় উপস্থিতির দেখা মেলে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ষোলমাইল এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক–সংলগ্ন ‘হানিফ হাইওয়ে ভিলা’ নামের একটি রেস্তোরাঁর সামনে।

আধুনিক পাখির মুখের অনেক বৈশিষ্ট্য আজ থেকে ১৫ কোটি বছর আগেই আর্কিওপ্টেরিক্স প্রজাতির ডাইনোসরের মধ্যে বিদ্যমান ছিল।

পাখিবিদ ট্যামি রাসেল বলেন, পাখিটির ‘সহসা দক্ষিণে (গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জে) ফিরে যাওয়ার কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছে না।’ গত অক্টোবরেও পাখিটিকে সম্ভবত উত্তর ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলে দেখা গিয়েছিল।

প্যাঁচাটিকে আমাদের সুন্দরবনেও দেখা যায়। জীবনে এতবার সুন্দরবন গিয়েছি অথচ কখনোই তার দেখা পাইনি।

বাংলাদেশে লাল টুপি কাস্তেচরা পাখিটি সহজে দেখা যায় না। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পদ্মায় খলিফার চরে শর্ষে চাষের সময় পাখিটি দেখা যায়।

শকুনটিকে উন্নত পরিচর্যার জন্য দিনাজপুরের সিংড়া জাতীয় উদ্যানের ‘শকুন উদ্ধার ও পরিচর্যাকেন্দ্রে’ পাঠানো হবে।

ভালোবাসা হলো তাঁর মাথা, আশা ও ভয় তাঁর দুই ডানা। মাথা ও দুটি ডানা যথাযথভাবে থাকলেই পাখি উড়তে পারে। মাথা কেটে ফেললে পাখি মারা যায়।

পীড়িত দুরন্ত পাখি সংশয়ে সাহস নিষ্প্রভ শূন্যতা! নিজস্ব স্রোতস্বতী একাকী লুকোচুরি— অদ্ভুত ভুতুড়ে খাঁচা ভেঙে দুর্বার জলযান।

পাটের চটে সুই-সুতার ফোঁড়ে ফুটে উঠছে ফুল, পাখি, লতাপাতা। গ্রামবাংলার দৃশ্যপট থেকে শুরু করে মোনালিসার মুখও তৈরি হচ্ছে নিপুণ হাতে।

সুন্দরবন শুধু একটি বন নয়, বাংলাদেশের উপকূলীয় জীববৈচিত্র্যের সবচেয়ে বড় আশ্রয়স্থল। বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, কুমির, শুশুক, অসংখ্য মাছ, পাখি ও উদ্ভিদের আবাস এই বন।

কবিতায় হারিয়ে যাওয়া মানুষের খোঁজ, পাথর ফাটিয়ে উঠে আসা সবুজ লতারার অদম্যতা এবং স্বাধীনতার প্রতীক। শিশুর চিৎকার থেকে সাদা ডানার পাখি, মধ্যবিত্তের নিরাপদ অস্তিত্ব—জীবনের এই ছবিগুলো কবিতায় ধরা পড়েছে।