
খোলা আকাশের নিচে লাখ লাখ মানুষের মধ্যে রাতভর অদ্ভুত নীরবতা
আরাফাতের ময়দানে দিনভর দোয়া, কান্না আর মহান আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের পর সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছিল মুজদালিফার পথে যাত্রা।

আরাফাতের ময়দানে দিনভর দোয়া, কান্না আর মহান আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের পর সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছিল মুজদালিফার পথে যাত্রা।

দেড় হাজার বছর আগে বিদায় হজে মানবাধিকারের যে সনদ মহানবী (সা.) ঘোষণা করেছিলেন, তা আধুনিক সময়ের যে-কোনো মতাবাদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর।

হজের খুতবায় মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও বিশ্বশান্তির জন্য দোয়া করা হয়েছে।

একটি শক্ত জড়বস্তুর প্রয়োজনানুসারে উঁচু-নিচু হওয়া ও কাদামাটির মতো নরম হয়ে নিজের মধ্যে পদচিহ্ন গ্রহণ করা আল্লাহ-তাআলার কুদরতের অনন্য নিদর্শন।

মিনা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আরাফাত ময়দান। এ ময়দানে হাজিদের জন্য হাজার হাজার অস্থায়ী তাঁবু টানানো আছে।

কাবা তাওয়াফ করা হজের অংশ।

লাখো মানুষ একই রঙে, একই ঢঙে একই খোদার সমীপে হাজির হন। এই মহামিলনের পেছনে যে অন্তর্নিহিত চেতনা কাজ করে, তা হলো প্রকৃত আধ্যাত্মিকতা এবং নিখাদ বিশ্বভ্রাতৃত্ব।

কাবার সামনে দাঁড়িয়ে মানুষ উপলব্ধি করে, এই দুনিয়ার সমস্ত গৌরব, অহংকার ও কৃত্রিমতা কত ক্ষণস্থায়ী! সেখানে মানুষ শুধু আল্লাহর বান্দা হিসেবেই পরিচিত।

একজন হাজির মদিনা থেকে মক্কায় হজযাত্রার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। মদিনা ছেড়ে আসার বিষণ্নতা, ইহরাম বাঁধার পর আত্মিক শুদ্ধির অনুভূতি, পথিমধ্যে মরুভূমি ও পাহাড়ের দৃশ্য—সবকিছু তিনি তুলে ধরেছেন।

হাজার বছর ধরে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন উম্মাহর কত মুফাসসির, কত মুহাদ্দিস, কত ইমাম, কত মুজতাহিদ, কত অলি-আউলিয়া! কত কান্না ছড়িয়ে আছে আরাফার বাতাসে!

আমরা যারা হজে যাওয়ার সামর্থ্য রাখি না, তারা চাইলে এই আমলগুলোর মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও হজের সওয়াব অর্জন করতে পারি।

কোরআন ও হাদিস থেকে মক্কা ও মদিনার এমন কিছু নির্দিষ্ট স্থান ও মুহূর্তের কথা জানা যায়, যেখানে দোয়া কবুল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।