
অরার সন্ধানে: রঘু রাইয়ের আলোকচিত্রের অন্তর্ময় জগত
রঘু রাইয়ের কাজের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো ‘সাক্ষী’ হয়ে থাকার মানসিকতা। তাঁর কাছে তিনি নিজে দৃশ্যের নির্মাতা নন; বরং একজন নীরব পর্যবেক্ষক, যিনি ভাগ্যক্রমে জীবনের স্পন্দনটুকু ধারণ করতে পারেন।

রঘু রাইয়ের কাজের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো ‘সাক্ষী’ হয়ে থাকার মানসিকতা। তাঁর কাছে তিনি নিজে দৃশ্যের নির্মাতা নন; বরং একজন নীরব পর্যবেক্ষক, যিনি ভাগ্যক্রমে জীবনের স্পন্দনটুকু ধারণ করতে পারেন।

বাংলাদেশের ভাস্কর নভেরা আহমেদকে ভারতের অমৃতা শেরগিল ও মেক্সিকোর ফ্রিদা কাহলোর সঙ্গে তুলনা করে তাঁদের শৈল্পিক ঐক্য তুলে ধরা হয়েছে। ষাটের দশকের প্রেক্ষাপটে নভেরার জীবন, কাজ ও প্রগতিশীল চিন্তা বর্ণিত। যদিও সে সময়টা খুব দীর্ঘ ছিল না। তবু তাঁর জীবনযাপন, আচার–আচরণ, শাড়ির প্রতি ভালোবাসা, সর্বোপরি তাঁর কল্পনাজগতে ছিল এই দেশ।

ভাস্কর নভেরা আহমেদের জন্মসাল নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে, যা তাঁর জীবনের ঘটনাবলী বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়। পাসপোর্টে ১৯৩৯ উল্লেখ থাকলেও অন্যান্য তথ্য এটিকে খণ্ডন করে। ১৯৬০–এর প্রদর্শনী প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন সূত্র থেকে জন্মসালের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অব জুরিস্টস প্রকাশিত ‘দ্য ইভেন্টস ইন ইস্ট পাকিস্তান’ (১৯৭২) শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাঙালিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আছে।

আমাদের বোঝা দরকার, কেন এত বছরেও বাংলাদেশ জেনোসাইড আন্তর্জাতিক পরিসরে কাঙ্ক্ষিত মনোযোগ ও স্বীকৃতি লাভ করতে পারেনি?

মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এ কে খন্দকারের মৃত্যু অনেকের চোখে পড়েনি। অথচ খন্দকার ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের খেতাবপ্রাপ্ত ‘বীর উত্তম’ ও সেক্টর কমান্ডার।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ১৯৭১-এর সঙ্গে ২০২৪-এর সম্পর্ক নিরূপণে সুস্পষ্ট রাজনৈতিক দলানুগত্য দেখতে পাওয়া যায়।

তাঁর কাছে ‘সনি টিআর-১০০০’ মডেলের একটা ট্রানজিস্টর রেডিও ছিল। ফ্রিকোয়েন্সি ঘোরাতেই তিনি বিভিন্ন ইউনিটের কথোপকথন ধরতে পারলেন।

বাঙালি জাতির স্বাধিকারস্পৃহা দমনের উদ্দেশ্যে ১৭ জানুয়ারি লারকানায় যে ষড়যন্ত্রের বীজ বপন করেছিল, ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে বাঙালির ওপর প্রবল ও ধ্বংসাত্মক আক্রমণ চালানোর মধ্য দিয়ে তা কার্যকর করার চেষ্টা করে।

উপন্যাসটিকে অনেকেই সরলীকৃতভাবে মাজারবিরোধী পাঠ হিসেবে ব্যবহার করলেও, প্রকৃতপক্ষে এটি একটি ‘ভুঁইফোঁড়’ পীরের মিথ্যা ক্ষমতাকেন্দ্র নির্মাণের কাহিনি, বাস্তব মাজারের প্রতিনিধিত্ব নয়।

ঈদ উদ্যাপনের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ হলেও বাংলা ঈদসাহিত্যের সূচনা বিশ শতকের শুরুতেই।

এই নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের পর থেকে শুরু হয় উষারানী দেবীর আরেক জীবনসংগ্রাম। অবরুদ্ধ কিশোরগঞ্জ শহরে থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন উষারানী দেবী।