
ভারতের কাছে বাড়তি জ্বালানি তেল চেয়ে চিঠি
বাড়তি জ্বালানি চেয়ে ভারত সরকারকে আজ বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ

বাড়তি জ্বালানি চেয়ে ভারত সরকারকে আজ বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ

লোডশেডিংয়ে শিল্পকারখানার উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। কারণ, জেনারেটরের জন্য পাম্প থেকে তেল মিলছে না। তেলের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের পণ্য সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে।

ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম লাফিয়ে ১২০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে হুতিরা জড়িয়ে পড়ায় লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দাব প্রণালি ঝুঁকিতে। এতে তেলের দাম, সামুদ্রিক বাণিজ্য ও মূল্যস্ফীতিতে বড় প্রভাব পড়তে পারে। হরমুজ প্রণালি বন্ধের পর সৌদি তেল এই পথ দিয়ে পাঠাচ্ছে।

বিনিময়ে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য নিজ দেশের বাজারে প্রবেশের পথে ভারত বাণিজ্য–বাধা হ্রাস করবে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকটের মধ্যে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘এমটি শান গাং ফা জিয়ান’ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এপ্রিলে চার লাখ টন ডিজেলের চাহিদা, এ মাসে দুটি জাহাজ এসেছে। বিপিসি বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহ করছে।