
দিনের একেক সময়ে ওজন একেক রকম দেখায় কেন
সকালে ঘুম থেকে উঠে ওজন হয়তো এক রকম দেখা গেল, রাতে শোবার আগে মাপলে দেখা যায় এক থেকে দুই কেজি বেড়ে গেছে!

সকালে ঘুম থেকে উঠে ওজন হয়তো এক রকম দেখা গেল, রাতে শোবার আগে মাপলে দেখা যায় এক থেকে দুই কেজি বেড়ে গেছে!

ঢাকার স্কুলশিশুরা দিনে গড়ে ৫ ঘণ্টা স্ক্রিনে কাটায়, ফলে ঘুম কম, ওজন বাড়ছে, চোখ-মাথার সমস্যা হচ্ছে। আইসিডিডিআরবির গবেষণায় অনিয়ন্ত্রিত স্ক্রিন টাইমের শারীরিক-মানসিক ক্ষতি প্রমাণিত। অভিভাবকদের সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

আইসিডিডিআরবির গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকার শিশুরা দিনে গড়ে ৫ ঘণ্টা স্ক্রিনে সময় কাটায়। এক-তৃতীয়াংশের বেশি শিশু চোখের সমস্যায় ভুগছে এবং ৮০ শতাংশ প্রায়ই মাথাব্যথায় কষ্ট পায়। অতিরিক্ত স্ক্রিনব্যবহার ঘুম, ওজন ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে।

সকালে না রাতে পড়াশোনা কোনটি বেশি উপকারী? এটি ব্যক্তির দেহঘড়ি ও মনোযোগের ওপর নির্ভর করে। পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত পড়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ঘুম ভেঙে চোখ খুললে এক বিশাল ক্যাকটাস দেখি, যার কাঁটায় শুরু হয় আমার জীবনের রহস্যময় যাত্রা। অপুষ্ট শৈশব, স্কুলের দিন, দাদির মৃত্যু এবং পরিত্যক্ত বাড়ির পেছনে ফিরে আসা—এক অদ্ভুত ইকোসিস্টেমে বেঁচে ওঠা। শেষে ক্যাকটাসের শিকড় আমাকে জড়িয়ে ধরে সত্য প্রকাশ করে।

আর্টেমিস-২ মিশনের ওরিয়ন মহাকাশযানে নভোচারীরা শূন্যে ভাসতে ভাসতে দৈনন্দিন জীবন কাটাচ্ছেন—টরটিলা, কফি খেয়ে, টয়লেট মেরামত করে। প্রথমবার শৌচাগার নিয়ে যাত্রা করলেও সমস্যা দেখা দিয়েছে, যা ক্রিস্টিনা কচ সারিয়েছেন। চাঁদপরিক্রমণের এই অভিযানে ঘুম, ব্যায়াম ও শিশুসুলভ আনন্দ মিশে আছে।

জিন প্রতিদিন সকাল ৯টায় ঘুম থেকে ওঠেন, হাতমুখ ধুয়ে বাগানে কিছুক্ষণ রোদ পোহান। সন্ধ্যা ৭টার ভেতর তিনি রাতের খাবার শেষ করে ঘুমাতে চলে যান।

ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমানের বাসভবনের কাছে একটি আবাসিক মাদ্রাসার ছাত্র মোহাম্মদ রাফির ঘুম ভাঙে গুলির শব্দে। ঘটনার পর এখনো আতঙ্ক কাটেনি তার।

ভয়ে আমার জ্বর এসে গেল। রাতে বারবার ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠতাম। প্রায় সাত দিন পরে স্বাভাবিক হতে পেরেছিলাম।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, জিয়াং প্রতিদিন রাত প্রায় ২টা পর্যন্ত টেলিভিশন দেখেন। এত রাতে ঘুমালেও তাঁর ঘুম ভাঙে সকাল ১০টার দিকে।

রেশমী খাতুন শোবার ঘরে কয়েল জ্বালিয়ে মেয়ে ছোঁয়া খাতুনকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে পাশের বাড়িতে গিয়েছিলেন। এর মধ্যে ঘরে আগুন লাগে।

অন্য দিন শুটিংয়ের জন্য ভোরে ঘুম ভাঙলেও বিরতির দিনগুলোতে ঘুমের অভাব পূরণ করতে চান কেয়া পায়েল। তাই এদিন ফোনে থাকে না কোনো অ্যালার্ম।