
ক্ষুদ্রঋণ খাতে নীতিগত সহায়তা দাবি
দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে ক্ষুদ্রঋণ খাত।

দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে ক্ষুদ্রঋণ খাত।

দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে এ পথে যেতে গিয়ে নির্মম নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। কেউ কেউ সাগরে ডুবে মারা যাচ্ছেন, কারও কারও নির্যাতনেই মৃত্যু হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে ‘আর্বিট্রারি অ্যারেস্ট’ বা ইচ্ছামাফিক গ্রেপ্তারের ঘটনা যেন স্বাভাবিক চর্চায় পরিণত হয়েছে।

এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘বিনিয়োগ পরিবেশ এখন একটি ভাঙা ঘর। এই বাড়ি মেরামত না করে যদি আমরা ভাড়াটে বা বিনিয়োগকারী খুঁজতে যাই, তবে তারা হতাশ হয়ে ফিরে যাবে।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, পৃথিবীতে কোনো দিন শুধু আয়কর দিয়ে বৈষম্য দূর করা সম্ভব হয়নি। এর জন্য সম্পদ কর লাগে। মধ্যবিত্তের বাধা আসার ভয়ে জনপ্রিয়তা হারানোর চিন্তা করলে চলবে না।

অনুষ্ঠানে সিমিন রহমান বলেন, আমদানিপর্যায়ে যে ৫ শতাংশ এআইটি কাটা হয়, তা এনবিআর থেকে কখনোই ফেরত পাওয়া যায় না। আমরা প্রস্তাব করছি এটি কমিয়ে ৩ শতাংশে আনা হোক।

পার্বত্য অঞ্চলকে ‘বিচ্ছিন্ন’ বা ভিন্ন কোনো নেতিবাচক আঙ্গিকে না দেখার অনুরোধ করেন মন্ত্রী।

বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় চীন, ভিয়েতনাম থেকে ১৫-২০ শতাংশ পিছিয়ে আছে।

করপোরেট আগ্রাসন, ভ্যাটের চাপ ও প্রশাসনিক জটিলতায় প্রান্তিক রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা সংকটে—ছোট উদ্যোক্তা সুরক্ষায় নীতিমালা ও বিশেষ তহবিল দাবি মালিক সমিতির।

হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, বিনিয়োগকারী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবার মধ্যে আস্থা সংকট রয়েছে। বাজেটের বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে এই আস্থার সংকট দূর করা জরুরি।

ফ্যাসিবাদী ভয়কে প্রতিরোধ করেই বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা গড়ে উঠেছিল জুলাইয়ে। তবে বাস্তবতা হচ্ছে নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি শুরু হয়েছে।

লজিস্টিকস খরচ ২৫% কমালে রপ্তানি ২০% বাড়ানো সম্ভব বলে মত প্রকাশ করেছেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ। আজ শনিবার ডিসিসিআই আয়োজিত গোলটেবিলে বন্দর ও লজিস্টিকস উন্নয়নের উপর আলোচনা হয়। ভিয়েতনামের সঙ্গে তুলনা করে বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়ার কারণ তুলে ধরা হয়েছে।