
বিদ্যুৎ–সংকটে বন্ধ ‘এয়ারফ্লো মেশিন’, পচে যাচ্ছে কৃষকের মজুত পেঁয়াজ
বর্তমানে প্রতি মণ পেঁয়াজ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ উৎপাদন খরচই ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা। সংরক্ষণ ব্যয় যোগ হলে পুরোপুরি লোকসান গুনতে হচ্ছে।

বর্তমানে প্রতি মণ পেঁয়াজ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ উৎপাদন খরচই ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা। সংরক্ষণ ব্যয় যোগ হলে পুরোপুরি লোকসান গুনতে হচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, মজার ব্যাপার হলো কাঁঠালের কাবাব বা কাঁঠালের সবজি ফুড ভ্যালুতে (পুষ্টিগুণে) কিন্তু অনেক হাই (উচ্চ)।

ধানকাটা মৌসুমে সাঁথিয়া ও বেড়ার বিভিন্ন গ্রাম থেকে দল বেঁধে বিভিন্ন জেলায় যান ‘দাওয়াইল্যারা’। যারা কৃষিশ্রমিকের কাজ করে মজুরি হিসেবে পাওয়া ধান নিয়ে বাড়ি ফেরেন।

নাটোরে শুক্রবার সকাল থেকে গুটি ও বৈশাখী জাতের আম সংগ্রহ শুরু হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ায় ভালো ফলনের কারণে ৪০০ কোটি টাকার ব্যবসার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। চাষিরা প্রথম দিনেই আম বাজারে নিয়ে এসেছেন।

রাজশাহীর পবা ও গোদাগাড়ীতে বিএডিসির ‘ব্রি ধান–৮৮’ ভিত্তিবীজ থেকে এক খেতে তিন রকম ধান হয়েছে। চাষিরা প্রতারিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত, শ্রমিকরা কাটতে অস্বীকার করেছে। বিএডিসি বলছে, ব্রি ধান–৯২ মিশে গেছে, তদন্ত চলছে।

হাওরাঞ্চলে বন্যার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি থাকে মে মাসে—প্রায় ৫০ শতাংশ। আবার এপ্রিলের শেষভাগে বন্যার প্রকোপ থাকে প্রায় ৪২ শতাংশ।

হাওরে এবার ২০ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেন কৃষক আলী আকবর। তিন বিঘা জমির ধান কেটেছেন। একদিকে হাত খালি, অন্যদিকে শ্রমিকও পাওয়া যায় না।

দক্ষিণাঞ্চলে তরমুজের বাম্পার উৎপাদন হলেও পাইকারের অভাবে চাষিরা লোকসানের মুখে। উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপক আবাদের কারণে চাহিদা কমেছে। বরিশাল বিভাগে ৭০ হাজার ৩৬২ হেক্টরে আবাদ হয়েছে এবার।

হরমুজ প্রণালি বন্ধে সার সরবরাহে বিশ্ব উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশে জুন পর্যন্ত মজুত আছে, তবে আমন-বোরোর জন্য নতুন উৎস যেমন মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, চীন থেকে আমদানির চেষ্টা চলছে। সারের দামও বেড়েছে, দেশীয় উৎপাদন কম।

মাচার ওপর লতিয়ে উঠেছে চালকুমড়ার সবুজ ডগা। আর নিচে মাটিতে সারি সারি আলু। একই জমিতে এমন ভিন্নধর্মী চাষাবাদের দেখা মেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের পুটিমারী এলাকায়।

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি এলাকায় রবি মৌসুমে এবার এক ভিন্ন দৃশ্য দেখা গেছে। গ্রামের কৃষকেরা আগে কখনো ভাবেননি, লবণাক্ত এ জমিতে সম্ভব হতে পারে বার্লির চাষ।

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রাধানগর গ্রামের মানুষ কয়েক বছর আগেও পাথরকেন্দ্রিক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁরা আমন ধান ছাড়া কিছুই চাষ করতেন না। এখন গ্রামটিতে রীতিমতো সবুজের বিপ্লব চলছে। এর নায়ক মো. মনিরুজ্জামান।