
‘ওয়াক্ফ’ যেভাবে গড়ে তুলেছিল মুসলিম নগরসভ্যতা
অতীতে জমি বা দালান ওয়াক্ফ করে যদি নগরী গড়ে তোলা সম্ভব হয়, তাহলে আজকের ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায়, যেখানে দৃশ্যমান জমি নেই, সেখানে ওয়াক্ফ কেমন হবে?

অতীতে জমি বা দালান ওয়াক্ফ করে যদি নগরী গড়ে তোলা সম্ভব হয়, তাহলে আজকের ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায়, যেখানে দৃশ্যমান জমি নেই, সেখানে ওয়াক্ফ কেমন হবে?

কর্দোবার অভিজাতদের অনুসরণে সাধারণ ধনাঢ্য নাগরিকদের মধ্যেও ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার রাখার রীতি একপ্রকার সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হয়ে উঠেছিল।

যদি বিশ্বাসের জায়গাটি কলুষিত না হয় এবং বিনোদনটি সুস্থ ও সৃজনশীল হয়, তবে বিশুদ্ধ নিয়তের মাধ্যমে সেই বিনোদনও ইবাদতে পরিণত হয়ে যাবে।

কোরআন মাজিদ বিভিন্ন জায়গায় পিতৃত্বের প্রসঙ্গটি এনেছে এবং বিভিন্ন ধরনের বাবার উদাহরণ দিয়েছে। তার মধ্য থেকে আমরা কয়েকটি অনন্য বৈশিষ্ট্য খুঁজে পাই।

তিনি নিজেও বাজার পর্যবেক্ষণে বের হতেন। পাগড়ি মাথায়, লাঠি বা চাবুক হাতে তিনি মদিনার বাজারে বাজারে হাঁটতেন এবং অপরাধী দেখলে শাস্তি দিতেন।

তারা ছিলেন সুরুচি, পরিচ্ছন্নতা ও আভিজাত্যের অনন্য প্রতীক। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষের মনে আলেমদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে যে কৃচ্ছ্রসাধনের চিত্র রয়েছে, তা মূলত ইতিহাসের সম্পূর্ণ বিপরীত।

ইসলামি অর্থনীতিতে সম্পদকে স্রেফ ব্যক্তিমালিকানাধীন বা রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি মনে করা হয় না; বরং একে আল্লাহর দেওয়া একটি পবিত্র ‘আমানত’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

যারা বাজারকে অস্থিতিশীল করে তোলে, তারা মূলত সমাজের অসহায় মানুষের পকেট কাটে। ইসলাম মনে করে, এ ধরনের উপার্জন কোনোভাবেই বরকতময় হতে পারে না।

তিনি অজ্ঞতার তীব্র নিন্দা করে বলেন, ‘তারা যখন সমাধান জানত না, তখন জিজ্ঞেস করে কেন জেনে নিল না? কারণ, অজ্ঞতার প্রতিষেধক হলো প্রশ্ন করা।’

কোরআনের বারবার তাগিদ দেওয়া আল্লাহর পক্ষ থেকে এক জোরালো ইঙ্গিত ছিল যে, ভবিষ্যতে মুসলমানরা উন্নত ও সুসভ্য জাতিসমূহের সংস্পর্শে আসবে। বাস্তব চিত্রও তা-ই ছিল।

মুসলিম সমাজের একটি বড় সংকট হলো, বিপুল মাত্রায় লোকেরা তথ্যকে জ্ঞান মনে করছে, আর বিতর্ককে মনে করছে চিন্তা। যুক্তির হাত ধরে ওহি থেকে পালাচ্ছে।

সাফল্যের সব জাগতিক সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠার পর মানুষের মনে একটিই প্রশ্ন জাগে—‘এরপর কী?’ শুধু বিত্ত-বৈভব বা সামাজিক প্রতিপত্তি মানুষকে প্রকৃত সুখ দিতে পারে না।